লকডাউনের মাঝেই দেশব্যপী বেড়ে চলা গার্হস্থ্য হিংসা রুখতে দিল্লি হাইকোর্টে পিটিশন দায়ের
লকডাউনের মাঝেই দেশব্যপী বেড়ে চলা গার্হস্থ্য হিংসার রুখতে দিল্লি হাইকোর্টে পিটিশন দায়ের
করোনা মোকাবিলায় দেশব্যপী লকডাউনের জেরে কার্যত গৃহবন্দী সকলেই। বিশেষত দেশের অধিকাংশ ক্ষেত্রে নারীরাই ঘরে থাকতে অভ্যস্ত হলেও এখন রাষ্ট্রীয় নির্দেশে ঘর থেকে বাইরে পা রাখতে পারছেন না পুরুষরাও। ফলত, একপ্রকার মানসিক অবসাদ তো আছেই এছাড়াও ক্রমে বেড়েই চলেছে গার্হস্থ্য হিংসার ঘটনা।

ঘরবন্দি দেশে অন্যান্য অপরাধের হার কমলেও বাড়ছে গার্হস্থ্য হিংসা
ইতিমধ্যেই, জাতীয় মহিলা কমিশনের কাছে দেশের বিভিন্ন অংশ থেকে গার্হ্যস্থ্য হিংসা সংক্রান্ত ভুরি ভুরি অভিযোগ জমা পড়ছে। মার্চের প্রথম সপ্তাহে যেখানে অভিযোগের সংখ্যা ছিল ১১৬ টি, মার্চের শেষ সপ্তাহে অর্থাৎ লকডাউন শুরু হয়ে যাওয়ার পর সেই সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯১। জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রধান রেখা শর্মা জানান, ২১ দিনের লকডাউন চলাকালীন গৃহহিংসার অভিযোগ বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে।

দেশব্যপী গৃহহিংসার বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে পিটিশন
এদিন দেশব্যপী ক্রমবর্ধমান গৃহহিংসার ঘটনার বিরুদ্ধেই দিল্লি হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়। গৃহস্থ হিংসায় অত্যাচারিতদের সুরক্ষার দাবীতেই এই পিটিশন দায়ের করা হয়। বিষয়টি শুনে দিল্লি হাইকোর্ট জাতীয় মহিলা কমিশন (এনসিডাব্লু), দিল্লি কমিশন ফর উইমেন (ডিসিডাব্লু), দিল্লি সরকার এবং কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রককে অভিযোগটিকে লিখিত আকারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

দিল্লিতে এখনও পর্যাপ্ত সুরক্ষা কর্মী এবং হেল্পলাইন নম্বর দেওয়া হয়নি
আবেদনকারী আদালতকে জানান, দিল্লিতে গৃহস্থ হিংসার বিরুদ্ধে কেবলমাত্র ১৭ জন কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে, এবং তাদের যোগাযোগের নম্বর ও প্রকাশ্যে জানা যায়নি৷ এই অবস্থায় বিপুল চিন্তা এবং হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন মহিলারা। অবিলম্বে, এই নম্বর এবং সুরক্ষাকর্মী বাড়ানোর দাবীতেও সরব হয়েছেন আবেদনকারীরা।












Click it and Unblock the Notifications