পেগাসাস নিয়ে অশ্বিনী বৈষ্ণবের বক্তব্যের পাতা কেড়ে ছিঁড়ে দিলেন তৃণমূলের শান্তনু সেন! রাজ্যসভা উত্তাল
একজন প্রযুক্তিবদ বনাম একজন চিকিৎসকের রাজনৈতিক বিতণ্ডার সাক্ষী থাকল রাজ্যসভা। আইআইটির প্রাক্তনী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এদিন পেগাসাস ইস্যুতে বক্তব্য রাখছিলেন রাজ্যসভায়। সেই সময়ই তাঁর বক্তব্যের বিরোধিতায় নামে বিরোধী দলগুলি। রাজ্যসভায় তুমুলু বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল। আর সেই সময়ই রাজ্যসভায় তৃণমূলের সাংসদ তথা বিশিষ্ট চিকিৎসক শান্তনু সেন , কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তব্যের পাতা কেড়ে তা ছিঁড়ে দেন। চড়তে শুরু কের পারদ।

উত্তাল রাজ্যসভা
এদিন বাদল অধিবেশনে সকাল থেকেই উত্তপ্ত রাজ্যসভা। সকালে কৃষি আইন নিয়ে রীতিমতো তোলপাড় হতেই লোকসভা মুলতুবির ঘোষণা হয়। সময়সীমা দিন এগোনের সঙ্গে সঙ্গেই বাড়তে থাকে। এদিকে, দুপুর পর্যন্ত রাজ্যসভা মুলতুবি থাকার পর, অধিবেশন শুরু হতেই পেগাসাস নিয়ে বক্তব্য রাখছিলেন ইলেকট্রনিক ও ইনফরমেশান টেকনোলজি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তখনই শুরু হয় তোলপাড়।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কোন বার্তা দেন?
এএনআই সূত্রের খবর অনুযায়ী, পেগাসাস প্রজেক্ট নিয়ে এদিন নিজের বক্তব্য যখন রাজ্যসভায় পেশ করছিলেন বিজেপির অশ্বিনী বৈষ্ণব, তখনই তিনি গোটা বিষয়টি নিয়ে বলেন যে, এই রিপোর্টগুলি কেবলই কেন্দ্রীয় সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে করা হয়েছে। এরপরই শুরু হয় বিজেপি বনাম তৃণমূলের সাংসদদের বাকবিতণ্ডা।

শান্তনু বনাম হরদীপ সিং পুরী
এএনআই সূত্রের খবর অনুযায়ী , অশ্বিনী বৈষ্ণবের বক্তব্যের মাঝে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী ও তৃণমূলের শান্তনু সেনের মধ্যে প্রবল বিতণ্ডা শুরু হয়। এর আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তব্যের সময়ই তাঁর কাছে থেকে তৃণমূলের সাংসদ শান্তনু সেন বক্তব্যের কাগজ কেড়ে নিয়ে তা টুকরো টুকরে করে ছিঁড়ে ফেলেন। বিষয়টি নিয়ে চরম ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিজেপির সাংসদরা। পরে মার্শালরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

কোন যুক্তি ছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বার্তায়
এদিন নিজে বক্তব্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, এই সংবেদনশীল বিষয়টি ১৮ জুলাই একটি ওয়েব পোর্টালে প্রকাশিত হয়। তারপর তা নিয়ে অভিযোগ ওঠে। ঠিক বাদল অধিবেশনের আগে এই বিষয়টি নিয়ে খবর আসে। এটা কখনওই কাকতালীয় হতে পারে না।

ক্ষোভে ফেটে পড়লেন বিজেপি সাংসদরা
এদিন রাজ্যসভায় ঘটে যাওয়া উত্তাল পরিস্থিতি নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দেন বিজেপির মীনাক্ষী লেখি। মন্ত্রীর হাত থেকে তাঁর বক্তব্য চলাকালীন কাগজ কেড়ে নিয়ে তা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা নিয়ে তৃণমূলকে বেঁধেন তিনি। তিনি বলেন, কংগ্রেস ও তৃণমূলের মতো বিরোধীরা দেশের ভাবমূর্তিতে প্রভাব ফেলছে। এদিকে, এদিকে শান্তনু সেনের ব্যবহারের কড়া নিন্দা করেন স্বপন দাশগুপ্ত। যদিও বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি তৃণমূলের সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়।












Click it and Unblock the Notifications