Recruitment Exam: মধ্যপ্রদেশে ব্যাপমের ছায়া, নিয়োগ দুর্নীতিতে বিদ্ধ বিজেপি! সহজ প্রশ্নের উত্তর না জেনেও তৃতীয়
Recruitment Exam: নিয়োগ দুর্নীতিকে বাংলায় হাতিয়ার করেছে বিজেপি-সহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। অস্বস্তিতে থাকা শাসক দল এই আক্রমণ সামলাতে হাতিয়ার করে বিজেপি-শাসিত রাজ্যের দুর্নীতিকে।
যার মধ্যে অন্যতম কয়েক বছর আগে মধ্যপ্রদেশের মান-সম্মান ধুলোয় মেশানো ব্যাপম কেলেঙ্কারি। সেই মধ্যপ্রদেশেই এবার আরও এক ব্যাপমের ছায়া। নিয়োগ দুর্নীতিতে নিশানায় বিজেপি।

মধ্যপ্রদেশে গত ২৬ এপ্রিল হয়েছিল পটোয়ারি নিয়োগের পরীক্ষা। রাজস্ব বিভাগের কর্মী নিয়োগ হয় এই পরীক্ষার মাধ্যমে। সেই পরীক্ষাকে কেন্দ্র করেই গরমিলের অভিযোগ আসতে শুরু করেছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলের অভিযোগ, এ তো হিমশৈলের চূড়ামাত্র। ব্যাপম কেলেঙ্কারি পার্ট টু আসছে!
কয়েক মাস পরেই মধ্যপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। স্বাভাবিকভাবেই নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ শিবরাজ সিং চৌহান সরকারের অস্বস্তি বাড়াবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। মধ্যপ্রদেশ এমপ্লয়িজ সিলেকশন বোর্ডের মাধ্যমে পরীক্ষাটি নেওয়া হয়েছিল। মে ও জুন মাসে ফলাফল প্রকাশিত হতেই সামনে আসে অসঙ্গতি।
৯ লক্ষ ৮০ হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্যে মেরিট লিস্টে নাম ওঠে ৯ হাজার পরীক্ষার্থীর। দেখা যায়, প্রথম দশে যাঁরা রয়েছেন তাঁদের মধ্যে ৭ জনই পরীক্ষা দিয়েছিলেন একই পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে। সেই কলেজটি একজন বিজেপি বিধায়কের। পরীক্ষায় তৃতীয় হওয়া পুণম রাজাওয়াতের সঙ্গে কথা বলে একটি সংবাদমাধ্যম।

পুণম জানান, পরীক্ষার ফল জেনে তিনি খুবই খুশি হয়েছিলেন। যদিও এই পরীক্ষা ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসার পর থেকে দুশ্চিন্তায় পরিবার। পুণমের বাবা নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করেন। মা একটি স্যালোঁ চালান, তিনি আবার ক্যানসার আক্রান্ত। পুণমের কথায়, প্রথমে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে অনলাইন কোচিং নিতাম। পরে অফলাইন কোচিং নিয়েছি।
তবে এরপরই বিপত্তি! পুণমকে ওই সংবাদমাধ্যমের তরফে পাটোয়ারি পরীক্ষার বিষয়ের উপরই কয়েকটি সহজ প্রশ্ন করা হয়। যদিও সেগুলির উত্তর দিতে পারেননি ওই পরীক্ষার্থী। এমনকী কটি বিষয়ের পরীক্ষা হয় সেটাও জানেন না পুণম। ১৮ মার্চ এনআরআই কলেজ থেকে পরীক্ষা দিয়েছিলেন তিনি।
পরীক্ষায় অবজেকটিভ টাইপ প্রশ্নের বিকল্পগুলিও ভুল ছিল। তবে পরীক্ষা দেওয়ার সময় পুণম কোনও প্রশ্ন তোলেননি, কেন একটিও সঠিক বিকল্প নেই? এই পরীক্ষার্থী এসএসসি এমটিএস পরীক্ষাতেও বসেছিলেন, তবে সেখানে সফল হননি। তাঁর কথায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, ভেঙে পড়েছি। তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারছি না।
পুণমের উত্তরপত্র ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা গিয়েছে তিনি সাধারণ প্রশ্নের ভুল উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু কঠিন প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়েছেন। এটা কীভাবে হলো সেটাই বলতে পারেননি পুণম। মধ্যপ্রদেশের জেলার সংখ্যাও সঠিকভাবে বলতে পারেননি তিনি। যদিও দাবি করছেন, কেলেঙ্কারি হয়ে থাকলে দোষীদের শাস্তি হোক।
পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। যদিও কাউকে কোনও টাকা দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন গোয়ালিয়রের বাসিন্দা পুণম ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।












Click it and Unblock the Notifications