সংযুক্তির প্রতিবাদে মনিপুর বনধে স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত! ত্রিপুরায় আংশিক প্রভাব
একাধিক সংগঠনের ডাকে মনিপুরের একাংশে বনধ পালিত হল মঙ্গলবার। সত্তরবছর আগে রাজ্যকে কেন ভারতের সঙ্গে সংযুক্ত করার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেই এই বনধ। অন্যদিকে ত্রিপুরাতেও বনধ ডাকা হয়েছিল একই কারণে।
একাধিক সংগঠনের ডাকে মনিপুরের একাংশে বনধ পালিত হল মঙ্গলবার। সত্তরবছর আগে রাজ্যকে কেন ভারতের সঙ্গে সংযুক্ত করার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেই এই বনধ। অন্যদিকে ত্রিপুরাতেও বনধ ডাকা হয়েছিল একই কারণে।

সংযুক্তির প্রতিবাদে বনধের ডাক
মনিপুরের দুই চরমপন্থী সংগঠন, কো-অর্ডিনেশন কমিটি এবং অ্যালায়েন্স অফ সোশ্যালিস্ট ইউনিটি মনিপুরে বনধের ডাক দিয়েছিল। অন্যদিকে, ত্রিপুরা ভিত্তিক সংগঠন ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট অফ তুইপ্রাও বলপূর্বক ভারতের সঙ্গে সংযুক্তির অভিযোগ করে বনধের ডাক দিয়েছিল। দুই রাজ্য ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল ১৯৪৯ সালের ১৫ অক্টোবর।

মনিপুর ত্রিপুরায় বনধ
মনিপুরে বনধ হয়েছে ১২ থেকে ১৮ ঘন্টা। সমতলের ছটি জেলায় বনধের প্রভাব পড়েছিল। অন্যদিকে পাহাড়ে খুব একটা প্রভাব পড়েনি। অন্যদিকে ত্রিপুরায় বনধের সেরকম কোনও প্রভাব না পড়ার খবর পাওয়া গেলেও আদিবাসী অধ্যুষিত কোনও কোনও জায়গায় কিছুটা প্রভাব পড়ে বলে জানা গিয়েছে।

'অন্ধকার সময়'
এনএলএফটি এবং এএসইউকে-র তরফে ১৯৪৯ সালের মনিপুর ও ত্রিপুরার সংযুক্তিকে কালো সময় বলে বর্ণনা করা হয়েছে।

রাজনৈতিক দিক থেকে বঞ্চিত
জনসংখ্যার দিকে থেকে তারা সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছেন। অন্যদিকে রাজনৈতিক দিক থেকে প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। জাতীয় দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের খারাপ চোখে দেখা হচ্ছে। এর একমাত্র কারণ ভারতের সঙ্গে মিশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত। বলেছে বনধের ডাক দেওয়া সংগঠনগুলি।

মনিপুর ও ত্রিপুরার সঙ্গে চুক্তি
১৯৪৯ সালের ১৫ অক্টোবর কেন্দ্রের তরফে ভিপি মেননের সঙ্গে মনিপুরের মহারাজা বোধাচন্দ্র সিং-এর চুক্তি হয়। যার ফবলে মনিপুরে ভারতের অঙ্গীভূত হয়। অন্যদিকে একই দিনে ত্রিপুরার মহারানি কাঞ্চনপ্রভা দেবীর সঙ্গে ভারত সরকারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications