Parliament Security Breach: মোবাইল পুড়িয়ে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা, ভগত সিংয়ের আদর্শ মেনেই আত্মসমর্পণ ললিতের
ললিত ঝাঁ গ্রেফতারির পর একের পর এক চঞ্চল্যকর তথ্য প্রকশ্যে আসছে। জানা গিয়েছে ললিত আত্মসমর্পণের আগে সকলের মোবাইল ফোন পুড়িয়ে দিয়েছিল। অর্থাৎ প্রমাণ লোপাটের কারণেই তিনি সব ফোন পুড়িয়ে দেওয়.ার চেষ্টা করেছিলেন বলে মনে করা হচ্ছে।
এবং একেবারে ভগত সিংয়ের ধাঁচেই আত্মসমর্পণ করে তিনি দাবি করেন যে কাউকে হত্যা করা বা কারোর ক্ষতি করা তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল না। দেশের জ্বলন্ত সমস্যা নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। ব্রিটিশ জমানায় যেমন ভাবে ভগত সিং আন্দোলন করেছিলেন সেই ধারা মেনেই কাজ করেছেন ললিত এবং তাঁর সহযোগীরা।

কীভাবে কোন পথে ঘটানো হবে পুরো ঘটনা সেটা আগে থেকেই পরিকল্পিত ছিল। সেকারণে সেই পরিকল্পনা মতোই দিল্লিতে গতকাল কর্তব্য পথ থানায় এসে নিজেই গ্রেফতারি বরণ করেন ললিত ঝাঁ। যাকে সংসদে হামলার মাস্টার মাইন্ড বলে দাবি করছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করছেন তদন্তকারীরা।
ললিতের আরও দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ। মহেশ ও কৈলাশ নামে দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজস্থানে চাকরি করতেন মহেশ। জানা গিয়েছে মহেশ ললিতকে আশ্রয় দিয়ে সাহায্য করেছিলেন। সংসদে হামলার ঘটনার পরে রাজস্থানে পালিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে হোটেল বুক করে তাঁকে আশ্রয় দিতে সাহায্য করেছিলেন মহেশ এবং কৈলাশ।
ধৃতদের নিয়ে একাধিক রাজ্যে তদন্তে যেতে পারে দিল্লি পুলিশ এমনই জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই তদন্তকারীরা কলকাতায় ললিতের পরিচিত নীলাক্ষর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এবং কলকাতাল ললিতের দুটি ডেরার হদিশ পাওয়া গিয়েছে। ১০ ডিসেম্বর কলকাতা থেকে দিল্লিতে গিয়েছিলে ললিত।
তদন্তকারীরা জানিয়েছে সংসদের ঘটনা নিয়ে দিল্লি পুলিশের টিম বড় করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে সংসদের ৮ নিরাপত্তা আধিকারীককে সাসপেনন্ড করা হয়েছে। এদিকে আজও সকাল থেকে উত্তাল লোকসভার অধিবেশন। তার জেরে দুই কক্ষের অধিবেশন দুপুর ২টো পর্যন্ত মুলতুবি হয়ে িগয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করেছে বিরোধীরা।












Click it and Unblock the Notifications