Parliament Security Breach: সংসদের নিরাপত্তার দায়িত্ব থেকে সরানো হচ্ছে দিল্লি পুলিশকে
সংসদে স্প্রে অ্যাটাক কাণ্ড নিয়ে রীতিমতো প্রশ্নের মুখে পড়েছে নিরাপত্তা। কতটা নিরাপদ নতুন সংসদ ভবন এই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। মোদী সরকার বারবার দাবি করেছিলেন নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা রয়েছে নতুন সংসদভবনে। কিন্তু পার্লামেন্ট অ্যাটাকের পর সেই দাবি নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
সংসদভবনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে দিল্লি পুলিশ এবং সিআরপিএফ ও আইটিবিপির জওয়ানরা। সাধারণত গোটা সংসদ ভবনের নিরাপত্তায় ৩০০ নিরাপত্তারক্ষী থাকে। কিন্তু ঘটনার দিন মাত্র ১৫০ নিরাপত্তাকর্মী ছিলেন সেখানে। এই নিয়ে বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছেন। দিল্লি পুলিশের িনরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

শোনা যাচ্ছে নতুন সংসদভবনের িনরাপত্তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে দিল্লি পুলিশকে। তার জায়গায় দায়িত্বে আা হতে পারে সিআইএসএফকে। যদিও এখনও চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে এই নিয়ে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যদিও এখনও সেই প্রস্তাব গৃহীত হয়নি। এদিকে ঘটনার তদন্ত করছে দিল্লি পুিলশ।
দিল্লি পুলিশের নিরাপত্তায় গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, যেহেতু দেশের সব সরকারি দফতরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে সিআইএসএফ। সেহেতু সংসদ ভবনের নিরাপত্তার দািয়ত্বও তাদের হাতে দেওয়া হবে। সিআইএসএফের পাঁচটি উইং এই নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে। ইতিমধ্যেই নাকি সিআইএসএফের ডিআইজিকে সেই পাঁচটি উইং তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই পাঁচটি উইংয়ের মধ্যে সিআইএসএফের ফায়ার উইংও থাকবে। এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। কবে সংসদ হামলার ২২ বছরের পূর্তির দিনে যেভাবে লোকসভার অধিবেশনের মধ্যে ২ আগন্তুক স্প্রে হামলা চালায় তা যথেষ্ট উদ্বেগের। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জুতোর মধ্যে স্প্রে বোতল লুকিয়ে প্রবেশ করেছিল দুই আগন্তুক। তারা মাইসূরের বিজেপি সাংসদের পাস িনয়ে ভেতরে প্রবেশ করেছিল। কর্নাটকের প্রাক্তন পুলিশকর্তার ছেলেও গ্রেফতার করে জেরা করছে দিল্লি পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications