Parliament: সংসদে স্প্রেকাণ্ডে নয়া অস্ত্র তৃণমূলের হাতে, মহুয়ার পাল্টা বিজেপি সাংসকে বহিষ্কারের দাবি
সংসদের সুরক্ষার প্রশ্নে যদি মহুয়া মৈত্রকে বহিষ্কার করা হয় তাহলে স্প্রে কাণ্ডে বিজেপি সাংসদকে কেন বহিষ্কার করা হবে না কেন। প্রশ্ন তুলে সরব তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরা। বিরোদীরাও সেই সুরে সুর মিলিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত সংসদে স্প্রে কাণ্ড নিয়ে বিবৃতি দেননি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
যদিও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সকালেই একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেছেন। এবং নতুন সংসদ ভবনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ৭ নিরাপত্তা আধিকারীককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তার পরেই এই পদক্ষেপ পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করছেন বিরোধীরা। বৃহস্পতিবার সংসদভবনের কাজ শুরু হতেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিরোধীরা।

তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় মইসুরের বিজেপি সাংসদকে সাসপেন্ড করার দাবি জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য মাইসুরের বিজেপি সাংসদ প্রতাপ সিনহার পাস নিয়েই ২ আগন্তুক প্রবেশ করেছিলেন সংসদ কক্ষে। তারপরেই লোকসভার জিরো আওয়ারে তাঁরা ভিডিটরস গ্যালারি থেকে ঝাঁপ দেন দুই যুবক তারপরেই সংসদ ভবনে হলুদ স্প্রে বম্ব চালাতে শুরু করেন তাঁরা।
কীভাবে বিজেপি সাংসদের পাস নিয়ে তারা ঢুকলেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংসদের সুরক্ষার প্রশ্নে কয়েকদিন আগেই মহুয়া মৈত্রতে বহিষ্কার করা হয়েছিল। মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার অভিযোগ করা হয়েছে। তার প্রেক্ষিতে এথিক্স কমিটি তদন্ত শুরু করে। এবং সেই তদন্তে সাংসদকে বহিষ্কারের প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেই প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে সংসদ থেকে বহিষ্কার করা হয় তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদকে।
সংসদে স্প্রে হামলার ঘটনায় বিজেপি সাংসদের নাম জড়িয়েছে। সংসদের সুরক্ষার প্রশ্নে তাহলে কেন তাঁদের বহিষ্কার করা হবে না। এই দাবিতে আজ সংসদে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদরা। তারপরেই ডেরেক ওব্রায়েনকে রাজ্য সভা থেকে বহিষ্কার করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications