সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন ২০২২: লোকসভা ও রাজ্যসভা বারবার স্থগিত! কংগ্রেসের ৪ সাংসদ সাসপেন্ড
বর্ষাকালীন অধিবেশনের (Monsoon Session) ষষ্ঠ দিনেও কার্যত কোনও কাজই হল না লোকসভা (Loksabha) ও রাজ্যসভা (Rajya Cabha)। নতুন রাষ্ট্রপতি শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানের জন্য সংসদের উভয় কক্ষের অধিবেশন বসে দুপুর দুটোয়। তারপরেও
বর্ষাকালীন অধিবেশনের (Monsoon Session) ষষ্ঠ দিনেও কার্যত কোনও কাজই হল না লোকসভা (Loksabha) ও রাজ্যসভা (Rajya Cabha)। নতুন রাষ্ট্রপতি শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানের জন্য সংসদের উভয় কক্ষের অধিবেশন বসে দুপুর দুটোয়। তারপরেও সরকারের অনড় অবস্থান ও বিরোধীদের হইহট্টগোলের কারণে সংসদের উভয়কক্ষের অধিবেশন বারে বারে মুলতুবি করে দিতে হয়। লোকসভায় অধ্যক্ষ এই অধিবেশনের বাকি সময়ের জন্য সাসপেন্ড করেন কংগ্রেসের ৪ সাংসদকে।

চার কংগ্রেস সাংসদ সাসপেন্ড
এদিন অধ্যক্ষ ওম বিড়লা কংগ্রেসের চার সাংসদকে লোকসভায় বর্ষাকালীন অধিবেশনের বাকি সময়ের জন্য সাসপেন্ড করেছেন। এঁরা হলেন, মানিকম ঠাকুর, টিএম প্রথাপন, জোথিমনি এবং রামা হরিদাস। মূলত প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ এবং সংসদে কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে এই সাসপেন্ড করা হয়েছে। এব্যাপারে কংগ্রেসের অভিযোগ হল, তাদের সাংসদদের সাসপেন্ড করে ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

লোকসভা ও রাজ্যসভার অধিবেশন বারে বারে মুলতুবি
এদিন দুপুর দুটো সংসদের দুই কক্ষের অধিবেশন বসলেও, তা বারে বারে মুলতুবি হয়ে যায়। একদিকে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনার দাবি অন্যদিকে প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ প্রদরহ্শনের কারণে বিকেল ৫ টচা পর্যন্ত রাজ্যসভার
অধিবেশন মুলতুবি করে দেওয়া হয়। এর আগে অবশ্য বিকেল ৪ টে পর্যন্ত রাজ্যসভার অধিবেশন দুবার মুলতুবি হয়ে যায়। একবার সভা বসার সঙ্গে সঙ্গে দুপুর দুটোয়। ফের ৩ টে সভা বসতে তা ৪ টে পর্যন্ত মুলতুবি করে দেওয়া হয়।
অন্যদিকে তিনটের কিছু পরে লোকসভার অধিবেশন দিনের মতো মুলতুবি করে দেওয়া হয়। দুইকক্ষের অভিবেশন ফের বসবে মঙ্গলবার বেলা ১১ টায়।

রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানে কংগ্রেসের দলনেতা অসম্মানের অভিযোগ
রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন সরকার ও বিরোধী পক্ষের সাংসদরা। তবে সেই অুষ্ঠানে রাজ্যসভায় কংগ্রেসের নেতা মল্লিকার্জুন খারগেকে সামঞ্জস্যপূর্ণ আসন না দিয়ে অপমান করা হয়েছে বলে রাজ্যসলভার চেয়ারম্যানকে চিঠি লিখে অভিযোগ
করেছেন বিরোধী নেতারা।

মদ ইস্যুতে রাজ্যসভায় আপের লড়াই
দিল্লির উপরাজ্যপাল সেখানকার সরকার আফগারি নীতি নিয়ে সিবিআই-এর তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার এদিন রাজ্যসভায় নোটিশ দিয়ে আলোচনার দাবি করে। প্রসঙ্গত সেখানকার মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনকে গ্রেফতারের পরে দিল্লির কোনও মন্ত্রীরবিরুদ্ধে এটা দ্বিতীয় মামলা।
এদিন প্রশ্নোত্তর পর্বে রাজ্যসভায় সরকারের তরফে জানানো হয়, বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ ৯ জুলাই থেকে ১৩ জুলাইয়ের মধ্যে স্পাইসজেটের বিমানে বিঘ্ন ঘটা নিয়ে তদন্ত করেছে। সেখানে বড় ধরনের নিরাপত্তা লঙ্ঘন নিয়ে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি।












Click it and Unblock the Notifications