সন্তানের জন্ম দিয়েছেন কেন? বিজেপি সাংসদের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা
সন্তানের জন্ম দিয়েছেন কেন? বিজেপি সাংসদের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা
সম্প্রতি দিল্লির বিজেপি সাংসদ রমেশ বিধুরির ভিডিও ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। যেখানে স্থানীয়রা অভিভাবকরা স্কুলের সমস্যার কথা জানান। অভিযোগ করেন। পাল্টা বিজেপি সাংসদ অভিভাবকদের বলেন, সন্তানের জন্ম কেন দিয়েছেন। বিজেপি সাংসদের মন্তব্য শুনে রীতিমতো ক্ষুব্ধ হয়ে যান অভিভাবকরা।

কী দেখা গিয়েছে ভিডিওতে
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে স্থানীয় অভভিবাকরা স্কুলের সমস্যার কথা দিল্লির বিজেপি সাংসদ রমেশ বিধুরিকে বলছেন। পাল্টা বিজেপি সাংসদকে বলতে শোনা যায়, কেন তাঁরা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে অভিভাবকরা ক্ষোভ উগড়ে দেন। এক অভভিবাক বলে নির্বাচনের সময় আমাদের কাছে ভোট চান। এগুলো বলার সময় সেই কথাগুলো মনে থাকে না।

ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা
অন্য একজন অভিভাবক মন্তব্য করেন যে এখন আমাদের একটি সন্তানের জন্ম ও লালনপালনের আগে এই নেতাদের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। অভিভাবকরা বলেন, এই সাংসদ ভোটের আগে স্কুল চালু করার ও সমস্ত সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এই ভিডিও ইতিমধ্যে নেটমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। নেটিজেনরাও বিজেপি সাংসদের মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন।

ভাইরাল বিজেপি সাংসদের মন্তব্য
সাংসদ রমেশ বিধুরের মন্তব্য ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নেটিজেনরা তাঁকে কটাক্ষ করতে শুরু করেছেন। এক ব্যক্তি টুইটারে লিখেছেন, বিজেপির প্রার্থী নির্বাচনের আগে ভাবনা-চিন্তা করা উচিত। এই ধরনের প্রার্থী সাংসদ হলে, দেশের ভবিষ্যত অন্ধকার হবেই। অন্য এক নেটিজেন সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, উনি জনগণের প্রতিনিধি। জনগণের কথা শোনা, সমস্যার প্রতিকার করার জন্যই তাঁকে ভোট দিয়ে জেতানো হয়েছে। প্রতিটি মানুষের ভোটের মূল্য রয়েছে। অন্য এক নেটিজেন লিখেছেন, এরপরেও দেশের সাধারণ মানুষ এই ধরনের প্রার্থীদের ভোট দিয়ে জয়ী করবেন।

বিহারের ঘটনার পুনরাবৃত্তি
কয়েকদিন আগেই বিহারে একই ধরনের ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন বিহারের আইএএস অফিসার হারজোত কৌর ভামরা। সেখানে তিনি ছাত্রীদের নানা প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন। এক ছাত্রী তাঁকে প্রশ্ন করেন, 'সরকার আমাদের ইউনিফর্ম দিচ্ছে, বৃত্তি দিচ্ছে, ২০-৩০ টাকা মূল্যের স্যানেটারি ন্যাপকিন দিতে পারে।' ছাত্রীটির এই কথায় উত্তেজিত হয়ে পড়েন আইএএস অফিসার। তিনি বলেন, 'এরপর তোমরা বলবে সরকার জিন্সও দিতে পারে। আর কিছু সুন্দর জুতো দিতে পারে। তোমরা আশা করবে সরকার তোমাদের কনডোমও দেবে।' ছাত্রীটিকে তিনি কটাক্ষ করেছিলেন। ছাত্রীটি পরিষেবা পাওয়ার জন্য ভোট দেওয়ার প্রসঙ্গ তুললে তিনি কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, যখন পরিষেবা পাচ্ছেন না, তাহলে ভোট দেবেন না। ছাত্রীটির নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের বলেও ওই আইএএস অফিসার তাঁকে কটাক্ষ করেন।












Click it and Unblock the Notifications