পূর্ব লাদাখে শক্তিবৃদ্ধি চিনের? প্যাংগং লেক এলাকায় কোন কাণ্ড ঘটাল চিন!
পূর্ব লাদাখে চিন-ভারত সীমান্তে উত্তেজনা থাকলেও যুদ্ধ আপাতত নেই। তবে চিন তাদের দখলে থাকা এলাকায় প্রায় ৪০০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু তৈরি করেছে। তার ওপর দিয়ে হাল্কা যানবাহনও চলতে শুরু করেছে। এই সেতু তৈরির ফলে চিন দুটি এলাকার মধ্যে দূরত্ব প্রায় একশো কিমি কমাতে সক্ষণ হয়েছে।
চিন সেতুটি তৈরি করেছে ভারত ও চিনের মধ্যে বর্তমানে থাকা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে। ১৯৫৮ সাল থেকে চিন এই অঞ্চলটি তাদের দখলে রেখেছে। এই ব্রিজ তৈরির ফলে চিনের সেনাবাহিনী প্যাংগং হ্রদের উত্তর ও দক্ষিণ তীরের মধ্যে দ্রুত সেনা সরাতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগে পিপলস লিবারেশন আর্মিতে সংঘর্ষের অঞ্চলে পৌঁছতে হ্রদের পূর্ব অংশে নেভিগেট করতে হয়েছিল। সংঘাত পূর্ণ অঞ্চলে দীর্ঘ পথে তারা বাধাপ্রাপ্তও হয়েছে।

এনডিটিভিতে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিদেশমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, চিন সেতুটি এমন জায়গায় তৈরি করেছে যা গত প্রায় ৬০ বছর ধরে চিনের দখলে রয়েছে। যা ভারতের কাছে বেআইনি দখলদার। ভারত এই ঘটনাকে কখনই স্বীকৃতি দেয়নি।
শুধু সেতু তৈরিই নয়, প্যাংগংয়ের উত্তর দিকে সড়ক নেটওয়ার্কও গড়ে তুলেছে চিন। যা প্রাচীন তিব্বতীয় কাঠামো খুরনাক দুর্গের দিকে নিয়ে গিয়েছে। প্রসঙ্গত, ১৯৫৮ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর টহলের মধ্যেও চিন খুরনাক দুর্গের নিয়ন্ত্রণ নেয়।
প্যাংগং লেকের দক্ষিণ দিকেও চিন নতুন রাস্তা তৈরি করেছে। সেই রাস্তা চিনা গ্যারিসন শহর এবং পরিচিত যুদ্ধাস্ত্র হাব-এর সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
২০২০-র মে থেকে পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর ভারত ও চিনের মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষ শুরু হয়। সেই সংঘর্ষে প্যাংগং হ্রদের উত্তরে গালওয়ান উপত্যকায় ২০ জন ভারতীয় সেনার মৃত্যু হয়। চিনের তরফে প্রথমে চারজন সেনার মৃত্যুর দাবি করা হলেও, পরে জানা যায় সেই সংখ্যাটা ছিল ৪০-এর কাছে। পরবর্তী সময়ে ভারত ও চিন একটি অসামরিক অঞ্চল তৈরি করে উত্তেজনা কমাতে সক্ষম হয়।












Click it and Unblock the Notifications