পল্লবী হত্যাকাণ্ড: মৃত্যুদণ্ড নয়, খুনী আবাসন প্রহরীকে যাবজ্জীবনের নির্দেশ, অখুশী মৃতার পরিবার

যদিও আদালতের রায়ে খুশি নন পল্লবীর মা-বাবা। তাঁরা চেয়েছিলেন পল্লবীর হত্যাকারীর মৃত্যুদণ্ড হোক। ফলে আদালতের রায়ে কিছুটা মুষড়ে পড়েছেন তাঁরা। পল্লবীর বাবা জানিয়েছেন, তাঁদের লড়াই এখানেই শেষ হচ্ছে না। দায়েরা আদালতের পর বম্বে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হবেন তাঁরা।
আরও পড়ুন : পল্লবী পুরকায়স্থ হত্যাকাণ্ড : আবাসনের রক্ষীকে দোষী সাব্যস্ত করল আদালত, মৃত্যুদণ্ডের দাবি বাবার
বিচারক ভ্রুশালি যোশী এদিন ভরা আদালতে পাঠানকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে কোন কোন ধারায় সে অভিযুক্ত এবং তার ফলে কী সাজা তাকে দেওয়া হচ্ছে তা ব্যাখ্যা করেন। সাজ্জাদের পক্ষ থেকে শাস্তি কমানোর আর্জি জানানো হয়েছে। যদিও আদালত তার আর্জি খারিজ করে জানিয়ে দেয় হত্যার ক্ষেত্রে ন্যূনতম শাস্তিই হল যাবজ্জীবন।
আদালতের রায়ে অখুশি পল্লবীর বাবা-মা, বম্বে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হবেন জানিয়ে দিলেন
২০১২ সালের ৯ আগস্ট মুম্বইয়ের ওয়াডালায় নিজের ভাড়া বাড়িতে খুন হন আইনজীবী পল্লবী পুরকায়স্থ। পল্লবীকে খুনের অভিযোগে আবাসনের প্রহরী সাজ্জাদ হাসানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সাজ্জাদের বিরুদ্ধে, হত্যা, শ্লীলতাহানি, অনুপ্রবেশের অভিযোগ ছিল। ২ বছর পর দায়েরা আদালত সাজ্জাদকে পল্লবী হত্যাকাণ্ডের দোষী সাব্যস্ত করে।
উল্লেখ্য ৯ আগস্টের দিন, ইচ্ছাকৃতভাবে পল্লবীর ফ্ল্যাটের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় সাজ্জাদ। সে জানত, সাহায্যের জন্য পল্লবী তাকে ডাকবেই। ডাক আসতেই বিদ্যুৎকর্মীকে নিয়ে পল্লবীর বাড়িতে ঢোকে এবং সেখান থেকে বাড়ির চাবি চুরি করে নেয় সাজ্জাদ। ওইদিন রাতেই পল্লবী যখন ঘুমোচ্ছিল সাজ্জাদ সেখানে গুটি গুটি পায়ে প্রবেশ করে। পল্লবীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় সাজিদ। কিন্তু সাহসী পল্লবীর রোধের মুখে পড়েন নিজের মনোস্কামনা পূরণে অসফল হয় সাজ্জাদ। আর সেই আক্রোশেই পল্লবীর গলায় ছুড়ি চালিয়ে পালিয়ে যায় সে। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয়েছিল পল্লবীর।
পল্লবী পুরকায়স্থর বাবা অতনু পুরকায়স্থ কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রকের যুগ্মসচিব। অতনুবাবুর দাবি ছিল মেয়ের হত্যাকারীর একমাত্র সাজা মৃত্যুদণ্ডই। কিন্তু এদিনের আদালতের রায়ের পর এবার বম্বে হাইকোর্টে যাবেন বলে জানিয়ে দিলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications