আফগানিস্তান ইস্যুতে ভারতে হতে চলা NSA পর্যায়ে অংশ নিচ্ছে না পাকিস্তান, আশ্চর্যজনক কিছু নয় বলল ভারত
আফগানিস্তান ইস্যুতে চিন্তিত ভারত। শুধু তাই নয়, পাকাপাকিভাবে তালিবানদের কাবুল দখলের পর থেকেই আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে কেন্দ্রের। আর এই অবস্থায় একাধিক ইস্যুতে আলোচনা করতে বৈঠকে বসতে চলেছে ভারত।
আফগানিস্তান ইস্যুতে চিন্তিত ভারত। শুধু তাই নয়, পাকাপাকিভাবে তালিবানদের কাবুল দখলের পর থেকেই আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে কেন্দ্রের। আর এই অবস্থায় একাধিক ইস্যুতে আলোচনা করতে বৈঠকে বসতে চলেছে ভারত।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের নেতৃত্বে এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। যথেষ্ট ভাবে এই বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।
উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগেই রাশিয়াতে আফগানিস্তান নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেয় ভারত। সেই বৈঠকে তালিবানদের প্রতিনিধিরা উপ্সথিত থাকলে এই বৈঠকে থাকছে না। যদিও একাধিক দেশের এনএসএ'রা উপস্থিত থাকবে বলে জানা গিয়েছে।
বিশেষ করে এই বৈঠকে অংশ নেওয়ার জন্য চিন এবং পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ভারত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান ভারতে আসবে না বলেই জানিয়ে দিয়েছে। আগামী ১০ নভেম্বর গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে এই বৈঠকে কি নিয়ে আলোচনা হয় সেদিকেই তাকিয়ে একাধিক দেশ।
দীর্ঘ ২০ বছর আফগানিস্তানের মাটিতে ছিল মার্কিন সেনা। যদিও গত কয়েকমাস আগেই সে দেশ থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ধীরে ধীরে কাবুল ছাড়ে মার্কিন বাহিনী। আফগানিস্তানের মাটিতে তালিবরাজ ফিরতেই উদ্বেগ বেড়েছে ভারতের। বিশেষ করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা। আর সেই আশঙ্কা থেকেই এই বৈঠক। শুধু চিন কিংবা পাকিস্তান নয়, ইরান, রাশিয়া সহ একাধিক দেশকে এই বৈঠকে ডাকা হয়েছে। তবে এই বৈঠকে থাকার কোনও সম্ভাবনা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের তরফে।
পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মঈদ ইউসুফকে এই বৈঠকের আমন্ত্রণ পত্র পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সে দেশের সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, এই বৈঠকে থাকার কোনও সম্ভাবনাই নেই। পাকিস্তানের এহেন বক্তব্যকে পাল্টা দিয়েছে ভারতও। কেন্দ্রীয় এক আধিকারিক জানিয়েছেন, পাকিস্তানের এহেন মন্তব্য দুর্ভাজনক।
কিন্তু কখনই আশ্চর্যজনক নয়। তবে পাকিস্তান যে আফগানিস্তানকে সুরক্ষা দিচ্ছে সেটা স্পষ্ট বলেই দাবি করেছেন ওই আধিকারিক। তবে ভারত শান্তি চায় বলেই এহেন বৈঠকের আয়োজন করেছে বলে দাবি ওই আধিকারিকের।
অন্যদিকে, যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানের অবস্থা, মানবাধিকার যাতে বজায় থাকে সেদিকে তাকিয়েই এই বৈঠক হতে চলেছে। National Security Council এই বৈঠকের ডাক দিয়েছে। দিল্লিতে বসতে চলেছে এই বৈঠক। করোনা বিধিকে মাথায় রেখেই এই বৈঠক হতে চলেছে।
রাশিয়ার মাটিতে তালিবদের সঙ্গে ভারত আলোচনা সারলেও দিল্লিতে তাঁদের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ করা নিয়ে সতর্ক কেন্দ্রীয় সরকার। রাজনৈতিকমহলের মতে, তালিব ইস্যুতে কিছুটা হলেও ধীরে চলো নীতি নিচ্ছে ভারত। যদিও গত কয়েকদিন আগে রাষ্ট্রসংঘে দেওয়া ভাষণে তালিবদের বার্তা দেন মোদী। শুধু তাই নয়, সে দেশে যাতে মানবাধিকার বয়ায় থাকে সেদিকে বিশ্বকে নজর রাখার বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। সব কিলিয়ে এই বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।












Click it and Unblock the Notifications