প্রবল বৃষ্টিতে হিমাচলের স্পিতিতে হড়পা বানে আটকে ১৫০ জন, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু উদ্ধারকাজ
প্রবল বৃষ্টিতে হিমাচলের স্পিতিতে হড়পা বানে আটকে ১৫০ জন, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু উদ্ধারকাজ
গত ২৪ ঘণ্টায় প্রবল বৃষ্টিপাতের জেরে হিমাচল প্রদেশের একাধিক এলাকায় হড়পা বান দেখা দিয়েছে। লাহুল স্পিতি জেলায় হড়পা বানের জেরে ১৫০ জন আটকে পড়েছেন। রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর তরফে উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, কুল্লু জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে একাধিক নদীর জলস্তর বাড়তে শুরু করেছে।

যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু উদ্ধারকাজ
লাহুল স্পিতি ডিস্ট্রিক এমারজেন্সি অপারেশন সেন্টারের তরফে জানানো হয়েছে, পুলিশ ও বর্ডর রোড অর্গানাইজেশনেরর কর্মীদের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁচেছে। উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে। রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এই উদ্ধারকার্যে হাত লাগিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টার প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে রবিবার রাত ১১.১৫ মিনিটে ডোরনি নল্লায় হড়পা বান দেখা দেয়। এরফলে লাহুল মহকুমার সুমদো-কাজা-গ্রামফু রাস্তাটি অবরুদ্ধ হয়ে যায়। চাররু ও দোর্নি একালায় সাধারণ মানুষ আটকে পড়েন। হিমাচলের স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পর্যটকরাও আটকে পড়েছেন বলে জানা গিয়েছে। হড়পা বানের জেরে বেশ কিছু গাড়ি আটকে গিয়েছে। হিমাচল প্রদেশে প্রবল বৃষ্টিতে লাহুল স্পিতি জেলায় এখনও পর্যন্ত সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রবল বৃ্ষ্টিপাতের পূর্বাভাস
গত সপ্তাহেই হিমাচল প্রদেশের আবহাওয়া দফতরের পাশাপাশি মৌসম ভবন হিমাচল প্রদেশে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করেছিল। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছিলেন, শনিবার থেকে লাহুল স্পিতি ও কিন্নুরের ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও হিমাচল প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। লাহুল ও স্পিতি এবং কিন্নুরের একাধিক জায়গায় বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে বলে স্থানীয় প্রশাসন আশঙ্কা করছে। যার জেরে রাজ্যের একাধিক জায়গায় জল, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ পরিষেবা ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমাচল
গত বুধবার অর্থাৎ ২৭ জুলাই লাহুল স্পিতিতে জেলার এক জায়গায় হড়পা বান দেখা দেয়। যদিও ওই বন্যায় কোনও প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটেনি। রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। বেশ কিছু গাড়ি আটকে পড়ে। চলতি মাসের শুরুর দিকে হিমাচল প্রদেশে মেঘ ভাঙা বৃষ্টির ফলে হড়পা বান দেখা দেয় কুল্লু জেলায়। ঘটনায় চারজন স্থানীয় বাসিন্দার মৃত্যু হয়। বন্যায় ছয় জন নিখোঁজ হন। গবাদি পশু বন্যার জলে ভেসে যায়। কাসোল এলাকায় বেশ কয়েকটি ক্যাম্পিং সাইট হড়পা বানের জেরে ভেসে যায়। প্রবল বৃষ্টিতে হিমাচলের দৈনন্দিন জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।












Click it and Unblock the Notifications