অর্ডিন্যান্স জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার! পাঁচ বছর পর্যন্ত বাড়ছে সিবিআই-ইডির আধিকারিকের মেয়াদ
অর্ডিন্যান্স জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার! পাঁচ বছর পর্যন্ত বাড়ছে সিবিআই-ইডির আধিকারিকের মেয়াদ
কাজের মেয়াদ বাড়ছে কেন্দ্রীয় দুই তদন্তকারী সংস্থার কর্তাদের। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটে দুই আধিকারিককেরই মেয়দ বাড়ানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে অর্ডিন্যান্স জারি করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। নয়া নিয়ম অনুযায়ী দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থারই কর্তাদের কাজের মেয়াদ সর্বোচ্চ পাঁচ বছর করা যাবে। দীর্ঘদিন সিবিআই এবং ইডির আধিকারিকদের সর্বোচ্চ পদে কাজের মেয়াদ ছিল দুই বছর। এবার তা বেড়ে হতে চলেছে তিন বছর। ২ বছর শেষ হওয়ার পর কোনও অধিকার্তার মেয়াদ এক বছর করে বাড়ানো হবে। এমনটাই বলা হয়েছে। কেন্দ্রের নয়া এই সিদ্ধান্ত ঘিরেই শুরু হয়েছে তরজা।
উল্লেখ্য এই মুহূর্তে রাংলায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত করছে সিবিআই এবং ইডি। সারদা থেকে কয়লা, গরু পাচারের মতো হেভিওয়েট মামলা রয়েছে তালিকাতে।

রাজনৈতিক অভিসন্ধি!
তবে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজাও। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় দুই গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকদের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধীতা তৃণমূলের। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, ষড়যন্ত্র করছে কেন্দ্র। এর পিছনে গভীর কোনও রহস্য রয়েছে বলে দাবি তাঁর। শুধু তাই নয়, এই মুহূর্তে ইডি এবং সিবিআইয়ের যে আধিকারিকরা রয়েছেন তাঁরা কেন্দ্রের খুবই অবুগত বলে কটাক্ষ তৃণমূল সাংসদের। তাঁদের ২০২৪ পর্যন্ত রেখে দিতেই এই পরিকল্পনা কেন্দ্রের! সৌগত রায়ের মতে, ওরা যতদিন থাকবে ততদিন ব্যবহার করা যাবে।

তৃণমূলের দাবি ওড়াল বিজেপি
যদিও তৃণমূলের এহেন দাবি উড়িয়ে দিচ্ছে বিজেপি। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার কখনই সিবিআই কিঙ্গা ইডিকে নিয়ন্ত্রণ করে না। আইন আইনের মতো চলে। বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, সমাজ বদলাচ্ছে, বদলাচ্ছে অপরাধের ধরণ। ইডি এবং সিবিআইয়ের উপর চাপ বাড়ছে তদন্তের। আর তদন্তের স্বার্থে বদলটা খুবই প্রয়োজন বলে মনে করা হয়েছে। প্রয়োজনের তাগিদে সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে। তাই তদন্তের প্রয়োজনেও অধিকর্তাদের মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে। এতে সমালোচনার কিছু নেই বলে মনে করেন বিজেপি নেতা।

কিন্তু কেন এই সিদ্ধান্ত?
সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটদের হাতে এই মুহূর্তে একাধিক মামলা রয়েছে। মামলাগুলি অনেক সময়ে তদন্তে অনেকটাই সময় চলে যাচ্ছে। আর কারণ হিসাবে দুই সংস্থার কর্তাদের বদলকেই দেখা হচ্ছে। কারণ যেহেতু মাত্র দুই বছর সিবিআই এবং ইডির ডিরেক্টরেটদের কাজের মেয়াদ সেহেতু কাজ বুঝতে বুঝতেই অনেকটাই সময় চলে যায়। ফলে মামলাগুলিও দীর্ঘায়িত হয়। আর তা যাতে না হয় আর দ্রুত মামলাগুলির নিস্পত্তি করা যায় সেদিকে তাকিয়েই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications