লাগাতার বৃষ্টির জেরে ১১টি রাজ্যে জারি কমলা সতর্কতা! তালিকায় রাজস্থান-দিল্লি-হিমাচল প্রদেশ
লাগাতার বৃষ্টির জেরে বিপর্যস্ত রাজধানী দিল্লি। জলমগ্ন দিল্লির একাধিক এলাকা। ব্যাহত জনজীবন। বন্ধ স্কুল। নগাড়ে বৃষ্টির জেরে মৃত্যু হয়েছে কয়েকজনের। আহত বেশ কয়েকজন। আবহাওয়া অফিস সূত্রে খবর, দিল্লিতে এক ঘণ্টায় ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। দিল্লিমুখী কমপক্ষে ১০টি বিমান ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে জয়পুর ও লখনউয়ের দিকে। জলমগ্ন নয়ডাও। একটানা বৃষ্টিরজেরে দিল্লির রাজেন্দ্রনগর এলাকায় জল জমেছে বলেও জানা গিয়েছে।
এদিকে, দক্ষিণ ভারতের কেরলে ভারী বৃষ্টির জেরে প্রবল দুর্যোগ চলছে বিগত কয়েকদিন ধরেই। এবার উত্তর ভারতে হিমালয়ে পরপর দুর্যোগ দেখা গেল। হিমাচলপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে বৃহস্পতিবার মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই উত্তরাখণ্ডে মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। হিমাচলেও কয়েকজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও সেখানে অনেকেই নিখোঁজ। এদিকে কেদারনাথের বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ২০০ পুণ্যার্থী আটকে পড়েছেন ধসের জেরে।

কেদারনাথে আবারও মেঘ ভাঙা বৃষ্টি। আর তাতেই বিধ্বস্ত পর্যস্ত গোটা কেদারনাথ এলাকা। মন্দাকিনী নদীর জল বিপদসীমা দিয়ে বইতে শুরু করেছে। আটকে রয়েছেন দুশো জন তীর্থযাত্রী। তাদের উদ্ধার করার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে বলে খবর।
উত্তরাখণ্ড জুড়ে ভারী বৃষ্টি চলছে। হাই এলার্ট জারি করা হয়েছে পাহাড়ি এই রাজ্যে। বিভিন্ন জায়গায় বিপর্যয়ের খবর আসছে। দিল্লির মৌসম ভবন আগেই অশনি সংকেত দিয়েছিল। বুধবার রাত থেকেই কেদারনাথ জুড়ে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়ে যায়। কেদারনাথের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে মেঘ ভাঙা বৃষ্টি হয়েছে বলে খবর। রাতেই প্রশাসনের তরফ থেকে মাইকিং শুরু হয়। বৃষ্টির মধ্যেই উদ্ধার কাজ চলতে থাকে। বহু মানুষকেই কিছুটা নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর।
হরিয়ানা, দিল্লি, পাঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, মহারাষ্ট্র, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, কর্ণাটক, উত্তরপ্রদেশ এবং গোয়া সহ ভারতজুড়ে মোট ১১টি রাজ্যে জারি রয়েছে কমলা সতর্কতা।
হিমাচল প্রদেশের মন্ত্রী জগৎ সিং নেগি বলেছেন যে, 'এখনও পর্যন্ত সিমলায় অন্তত ৩৬ জন নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। একইভাবে, মান্ডির বেশ কয়েকটি এলাকা থেকে মোট আটজন নিখোঁজ, দুটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একজন আহত হয়েছেন'। শুধু তাই নয়, এর সঙ্গে মন্ত্রী আরও সংযোজন করে বলেন, 'কুল্লু এলাকায় বিদ্যুৎ প্রকল্পের ব্যারেজ ভেঙে গিয়েছে। ফলে পর্যটকরা আটকে পড়েছেন। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এর জন্য মুখ্যমন্ত্রী একটি জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। অনেক সেতুও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে'।
রাজস্থানও বর্ষা বিপর্যয়ের সম্মুখীন রাজ্যগুলির তালিকায় রয়েছে। 'পিঙ্ক সিটি'-তে প্রবল বৃষ্টির কারণে জয়পুরের অনেক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। ফলে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications