মণিপুর ইস্যুতে রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ দাবি, দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ INDIA-গোষ্ঠীর ৩১ সাংসদের
মণিপুর ইস্যুতে এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে দরবার বিরোধীদের। ৩১ জন বিরোধী দলের সাংসদ দেখা করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মু্র্মুর সঙ্গে এবং মণিপুরের অচলাবস্থার কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ দাবি করেন তাঁরা। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে ছিলেন সেই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে।
রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতিকে একটি স্মারকলিপি জমাদেন তাঁরা। এই প্রতিনিধি দলে ছিলেন INDIA- গোষ্ঠীর ২১ জন সাংসদ যাঁরা মণিপুরে গিয়ে পরিস্থিতি ঘুরে দেখেছিলেন। তাঁরা মণিপুরের পরিস্থিতিত সরেজমিনে খতিয়ে দেখে সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রপতি মুর্মুকে বর্ণণা দিয়েছেন।

মণিপুর ইস্যুতে উত্তাল লোকসভা। বাদল অধিবেশন শুরুর প্রথম দিন থেকেই উত্তাল হয়ে উঠেছে সংসদ ভবন। বিরোধীরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিবৃতি দাবি করে সোচ্চার হয়েেছ। তার জেরে এক প্রকার অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে সংসদে। বিরোধীরা অভিযোগ করেছেন যেভাবেই হোক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে এর জবাব দিতেই হবে।
ইতিমধ্যেই সংসদে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছেন বিরোধীরা। তাঁরা অভিযোগ করেছেন মণিপুরে শান্তি স্থাপনে ব্যর্থ মোদী সরকার। তাই মোদী সরকারের ক্ষমতায় থাকার কোনও অধিকার নেই বলে দাবি করেছেন তাঁরা। সেকারণে প্রধানমন্ত্রী মোদীর অপসারণ দাবি করেছেন বিরোধী দলের সাংসদরা। স্পিকার অনাস্থা প্রস্তাব গ্রহনও করেছে।
মণিপুর ইস্যুতে সংসদে আলোচনায় রাজি হয়েছিল মোদী সরকার। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কোনও বক্তব্য রাখেননি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বক্তব্য রাখেন। মণিপুরের পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিয়েছে। সেখানে নারী নির্যাতন চরম আকার নিয়েছে।

কয়েকদিন আগেই মণিপুরে দুই মহিলাকে নগ্নকরে হাঁটানো এবং তাঁদের গণধর্ষণের ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। তারপরেই শোরগোল পড়ে যায় গোটা দেশে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও ঘটনাকে গোটা দেশের কাছে লজ্জাজনক বলে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
কিন্তু মণিপুরের পরিস্থিতি যে মোদী সরকার গোপন করার চেষ্টা করেছে তার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। তাঁরা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না মণিপুরের পরিস্থিতি। সেখানকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে রীতিমতো শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিরোধী দলের সাংসদরা।












Click it and Unblock the Notifications