রোহিঙ্গা ইস্যুকে সাম্প্রদায়িক রূপ নয়, বিরোধীদের কাছে আবেদন বিজেপির

রোহিঙ্গা ইস্যুকে কখনই সাম্প্রদায়িক রূপ দেবেন না। বিরোধীদের কাছে এমনই আবেদন করল বিজেপি। দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি যখন কোনও বিষয় নিয়ে রিপোর্ট দিচ্ছে তখন তার বিরোধিতা করা উচিৎ নয়, বলছে বিজেপি

রোহিঙ্গা ইস্যুকে কখনই সাম্প্রদায়িক রূপ দেবেন না। বিরোধীদের কাছে এমনই আবেদন করল বিজেপি। যখন দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি কোনও একটি বিষয় নিয়ে রিপোর্ট দিচ্ছে তখন, সেই তথ্যকে সবারই সম্মান জানানো উচিৎ।

রোহিঙ্গা ইস্যুকে সাম্প্রদায়িক রূপ নয়, বিরোধীদের কাছে আবেদন বিজেপির

দেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের প্রতি সরকার দায়বদ্ধ। জঙ্গি হামলায় দেশের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাই রোহিঙ্গা নিয়ে যে পদক্ষেপ সরকার নিয়েছে তাকে অবশ্যই উৎসাহ দেওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেছে বিজেপি।

সোমবার রোহিঙ্গাদের নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দাখিল করেছে। ভারত থেকে রোহিঙ্গাদের বের করতে চাওয়ার কারণও জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ভারতীয়দের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী এবং দেশের সুরক্ষার পক্ষেও বিপজ্জনক।

হলফনামায় সরকার জানিয়েছে, সংবিধানের ১৯(১) ধারা অনুযায়ী ভারতের কোথাও থাকার কিংবা ভ্রমণের যে অধিকার রয়েছে, সেটা শুধুমাত্র দেশের নাগরিকদের জন্য। কোনও অনুপ্রবেশকারী সুপ্রিমকোর্টে আবেদন করে সেই একই দাবি করতে পারে না বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।

ভারত সার্বভৌম রাষ্ট্র। তাই দেশের সাংবাধানিক দায়িত্ব দেশবাসীর প্রতি। ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের ফলে দেশের সামাজিক গঠন কখনই পরিবর্তন করতে দেওয়া যায় না বলেও মন্তব্য করা হয়েছে হলফনামায়।

রোহিঙ্গা ইস্যুকে সাম্প্রদায়িক রূপ নয়, বিরোধীদের কাছে আবেদন বিজেপির

ইতিমধ্যেই অনুপ্রবেশ করা বেশ কিছু রোহিঙ্গা হুন্ডি এবং হাওলার মাধ্যমে টাকা যোগার করছে। দেশ বিরোধী কার্যকলাপেও তারা যুক্ত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সরকার। ভারতবাসী হিসেবে তারা নকল পরিচয়পত্রও তৈরি করেছে বলে অভিযোগ করেছে সরকার।

ভারতে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ শুরু হয়েছিল ২০১২-১৩ সালে। দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলির রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে সরকারের দাবি, অবৈধ রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের অনেকেই পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠনের কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত। অন্য একাধিক দেশের জঙ্গি কার্যকলাপেও রোহিঙ্গারা যুক্ত বলে অভিযোগ করেছে সরকার।

হলফনামায় দালালের মাধ্যমে দেশে অনুপ্রবেশের স্থানের নামও দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের বেনাপোল-হরিদাশপুর, হিলি, কলকাতা, ত্রিপুরার সোনামুড়া এবং গুয়াহাটিতে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঘটেছে।

প্রায় ৪০ হাজার রোহিঙ্গা এই মুহুর্তে ভারতে রয়েছে বলে সর্বোচ্চ আদালতকে জানিয়েছে কেন্দ্র। ভারত ও মায়ানমারের মধ্যে থাকা পোরাস সীমান্ত দিয়ে এই অনুপ্রবেশ হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ৩ অক্টোবর।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+