সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলড ভারতের প্রধান বিচারপতি! ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি বিরোধী সাংসদদের

সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলিংয়ের স্বীকার ভারতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। মহারাষ্ট্র সরকার গঠনের সময় রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে একটি মামলায় প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলিং হয়। যা নিয়ে বিরোধী বেশ কিছু সংসাদ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি

রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি

রাজ্যসভায় কংগ্রেস সাংসদ বিবেক টাঙ্কা অনলাইনে এই ধরণের ট্রোলিংকে বিচারের পথে নির্লজ্জ হস্তক্ষেপ বলেও বর্ণনা করেছেন। রাষ্ট্রপতির কাছে দেওয়া চিঠিতে এব্যাপারে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রাষ্ট্রপতির কাছে দেওয়া চিঠিতে যাঁরা সই করেছেন তাঁদের মধ্যে বিবেক টাঙ্কা ছাড়াও রয়েছেন, কংগ্রেসের দিগ্বিজয় সিং, প্রমোদ তিওয়ারি, শক্তিসিং গোহিল, অখিলেশপ্রসাদ সিং, রঞ্জিত রঞ্জন, ইমরান প্রতাপগড়ি, উদ্ধব ঠাকরে গোষ্ঠীর শিবসেনার প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদী, আপের রাঘব চাড্ডা, সমাজবাদী পার্টি রামগোপাল-সহ আরও অনেকে।

চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে মোদী সরকারের কাছে

চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে মোদী সরকারের কাছে

রাষ্ট্রপতিকে দেওয়া চিথির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী, তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী এবং দিল্লির পুলিশ কমিশনারের কাছেও। এছাড়াও দেশের অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছেও এই ধরণের ট্রোলিংয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করা হয়েছে বিরোধী সাংসদদের তরফে।

নিশানা মহারাষ্ট্রের শাসকপক্ষকে

নিশানা মহারাষ্ট্রের শাসকপক্ষকে

রাষ্ট্রপতির কাছে দেওয়া চিঠিতে এই ধরনের ট্রোলিংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করে বলা হয়েছে, প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে থাকা সাংবিধানিক বেঞ্চ মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন এবং রাজ্যপালের ভূমিকার মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ইস্যু নিয়ে শুনানি করছে। সেখানেই মানহানিকর ট্রোলিং হচ্ছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বিষয়টি বিচারাধীন হলেও, যারা ট্রোলিং করছেন, তারা মহারাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন দলের স্বার্থের প্রতি সহানুভূতিশীল। আর এরাই দেশের প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় আক্রমণ শানাচ্ছেন। আক্রমণের ভাষা ও বিষয়বস্তু নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে ওই চিঠিতে।

 পিছনে কারা

পিছনে কারা

চিঠিতে বলা হয়েছে, বিষয়টি ন্যায়বিচারের পথে নির্লজ্জ হস্তক্ষেপ। এখানে শুধু ট্রোলিংয়ের জড়িত ব্যক্তিরাই শুরু নন, এর পিছনে থাকা লোকজন, তাঁদের সমর্থনকারী এবং পৃষ্ঠপোষকতা যারা করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করা হয়েছে রাষ্ট্রপতিকে দেওয়া চিঠিতে।
অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে দেওয়া চিঠিতে সাংসদরা বলেছেন, ভারতের প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন দলের স্বার্থের প্রতি সহানুভূতিশীল এই ট্রোলে তাঁরা হতবাক।
দিল্লির পুলিশ কমিশনারকে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, আইন ও বিচার বিভাগের স্বার্থে তাঁর দ্রুত পদক্ষেপ সবাই আশা করছেন।
এব্যাপারে বলে রাখা ভাল বিচারপতিদের ট্রোলিংয়ের বিষয়টি শীর্ষ আলদালতে শুনানির সময়ও এসেছে। এব্যাপারে দেশের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

আইন করবে না সরকার

আইন করবে না সরকার

আইনমন্ত্রী কিরেণ রিজিজু এব্যাপারেৈ সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, পূর্বতন প্রধান বিচারপতি রমনা তাঁকে বিচারপতিদের সমাজ মাধ্যমে সমালোচনা নিয়ে চিঠি দিয়েছিলেন এবং আইন প্রণয়নের অনুরোধ করেছিলেন। তবে আইন প্রণয়ন করে বিচারপতিদের সমালোচনা বন্ধ করা সম্ভন নয় বলে জানিয়েছেন তিনি।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+