প্রধান বিচারপতিকে ইমপিচমেন্টের প্রস্তাব! আদৌ কি সফল হবে বিরোধীরা, কী বলছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞরা
কংগ্রেসের নেতৃত্বে ভারতের প্রধান বিচারপতিকে ইমপিচমেন্টের প্রস্তাব রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। সংসদের এই ইমপিচমেন্ট সফল হবে না। এমনটাই মনে করছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞরা।
কংগ্রেসের নেতৃত্বে ভারতের প্রধান বিচারপতিকে ইমপিচমেন্টের প্রস্তাব রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। অশোভন আচরণ কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহার নয়। সংসদের এই ইমপিচমেন্ট সফল হবে না। এমনটাই মনে করছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞরা।

অভিযোগ নিয়ে সাতটি বিরোধী দল উপ রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডুর সঙ্গে দেখা করেন। নাইডু রাজ্যসভার চেয়ারম্যানও বটে। তাঁর হাতে ইমপিচমেন্টের নোটিশ তুলে দেওয়া হয়েছে। যাতে সাক্ষর রয়েছে ৬৪ জন সাংসদ এবং সাত প্রাক্তন সাংসদের। যাঁরা সম্প্রতি অবসর নিয়েছেন।
বিরোধীদের এই পদক্ষেপকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং রাজনৈতিক বলে বর্ণনা করেছে বিশিষ্ট আইনজীবী তথা অটলবিহারী বাজপেয়ীর প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সময়ের অ্যাটর্নি জেনারেল সোলি সোরাবজি, হাইকোর্টের প্রাক্তন দুই বিচারপতি এসএন ধিংরা, অজিতকুমার সিনহা এবং সিনিয়র অ্যাডভোকেট বিকাশ সিং।
সোলি সোরাবজি ঘটনাটি নিয়ে বিরোধীদেরই আক্রমণ করেছেন। অন্যদিকে প্রাক্তন বিচারপতি ধিংরাও একই মত প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন রাজনৈতিক মাইলেজ পাওয়ার জন্যই এই পদক্ষেপ। অন্যদিকে প্রাক্তন বিচারপতি সিনহা এবং সিনিয়র আইনজীবী বিকাশ সিং ঘটনাটিকে বিচার ব্যবস্থায় কালো দিন বলে বর্ণনা করেছেন।
রায় দেওয়া নিয়ে প্রধান বিচারপতি মিশ্রার পাশে দাঁড়িয়েছেন সোলি সোরাবজি। তিনি বলেছেন, ভুল রায়ের জেরেও একজন বিচারপতিকে ইমপিচ করা যায় না।
ইমপিচমেন্ট মোশান আনতে গেলে, রাজ্যসভায় ৫০ জন এবং লোকসভায় ১০০ জন সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন।












Click it and Unblock the Notifications