Opposition Meet: বিরোধী ঐক্যের ভবিষ্যৎ কী? রাহুল নিশানা করতে ছাড়ছেন না আপ-সিপিএমকেও
পাটনায় গৌর-চন্দ্রিকা হয়েছে বিরোধী ঐক্যের। এখন পাখির চোখ সিমলার জোট বৈঠকের দিকে। প্রথম বৈঠকে যে ১৫টি দল এক মঞ্চে এসেছিল, দ্বিতীয় বৈঠকে তাদের উপস্থিতি থাকবে তো? সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিরোধী ঐক্যের ভবিষ্যৎ নিয়েই উঠে পড়েছে প্রশ্ন।
কংগ্রেসের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে তেলেঙ্গানার শাসকদল কেসিআরের বিআরএস বিরোধী ঐক্যের অংশ হবে না। তারপর রাহুল গান্ধী ধারাবাহিকভাবে নিশানা করে চলেছেন দিল্লি-পাঞ্জাবের শাসক আম আদমি পার্টি ও কেরলের শাসক দল সিপিএমকেও।

রাহুল গান্ধী একপ্রকার স্পষ্ট করে দিয়েছেন ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে বিরোধী ঐক্যে কংগ্রেসের সঙ্গী হলেও রাজ্যস্তরে সমান বিরোধিতা চলবে আম আদমি পার্টি ও সিপিএমের সঙ্গে। তৃণমূল নিয়ে রাহুল আলাদা করে কিছু না জানালেও, অধীর চৌধুরীদের কাছেও অবস্থান স্পষ্ট।
এমনকী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও পরিষ্কার অবসান নিয়ে জানিয়ে দিয়েছে, জাতীয় রাজনীতির স্বার্থে তারা কংগ্রেসের হাত ধরে চললেও রাজ্যে কংগ্রেসকে রেয়াত করবেন না তাঁরা। সিপিএম বা কংগ্রেস উভয়ের সঙ্গেই বিরোধী অবস্থান বজায় রাখবে তারা। এবং রাজ্যে যে, কংগ্রেস, সিপিএম ও বিজেপি আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে জোট করে লড়ছে নীচুতলায়, তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।

এদিক রাহুল গান্ধী আম আদমি পার্টি নিয়ে তো ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেনই, এবার প্রকাশ্যেই সিপিএমকেও একহাত নিলেন। কেরল সিপিএমের প্রতি সরব হয়ে রাহুল বলেন, প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে সিপিএম। প্রতিহিংসা করেই কেরলের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি কে সুধাকরণকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পাটনায় জোট-বৈঠকের দিন থেকে আপ কংগ্রেসের বিরুদ্ধে কেন্দ্রের অধ্যাদশ নিয়ে পড়ে রয়েছে। কংগ্রেসের অবস্থান প্রশ্নে তারা বৈঠকের দ্বিতীয় অর্ধে বৈঠক কার্য়ত বয়কট করেছে। এমনকী হুঁশিয়ারি দিয়েছে কংগ্রেস অবস্থান স্পষ্ট না করলে সিমলায় জোট বৈঠকে তাঁরা উপস্থিত থাকবেন না।

আবার সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি বলেন, জাতীয় রাজনীতির স্বার্থে তারা তৃণমূলের সঙ্গে এক মঞ্চে গিয়েছেন। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের হিংসা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁদের লড়াই চলবে। অর্থাৎ রাজ্য ও কেন্দ্রের ক্ষেত্রে ভিন্ন অবস্থান নিয়ে চলবে কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল, আপ সবপক্ষই- তা স্পষ্ট।
কিন্তু এর প্রভাব কতটা বিরোধী ঐক্যে পড়বে, তা স্পষ্ট রহবে সিমলা বৈঠকেই। আদৌ তারা জাতীয় ক্ষেত্রে ঐক্য বজায় রাখতে পারবে, নাকি রাজ্যক্ষেত্রের অনৈক্যের প্রভাবে জলাঞ্জলি যাবে বিজেপি-বিরোধী জোট গঠনের চেষ্টা, তার উত্তর দেবে ভবিষ্যৎ।












Click it and Unblock the Notifications