Opposition Meet: রাহুল আমার ফেভারিট, ‘ইন্ডিয়া’র বৈঠকে মমতার সম্বোধন উসকে দিল ‘জল্পনা’
মমতার একটা মন্তব্যই ফের উসকে দিল জল্পনা। আবার কি তবে কাছাকাছি আসতে শুরু করল তৃণমূল ও কংগ্রেস! কর্নাটকে ২৬ দলের সমন্বয়ে 'ইন্ডিয়া' তৈরির পর রাহুল গান্ধীকে 'আমার ফেভারিট' বলে সম্বোধন করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উসকে দিলেন 'জল্পনা'।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই এই নতুন নামের প্রণেতা। ইউপিএ-র বদলে যে তিনটি নাম উঠে আসে, তার মধ্যে সিলমোহর পড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া নামেই। সোনিয়া গান্ধীর সিলমোহরে বিরোধী ঐক্য নতুন নাম পায় ইন্ডিয়া বা ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টাল ইনক্লুসিভ অ্যালায়েন্স।

এই 'ইন্ডিয়া'র বৈঠক শেষে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের পর বলতে উঠেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাহুল গান্ধীকে 'আমার ফেভারিট' বলে সম্বোধন করেন। মমতার এই মন্তব্য আবার কংগ্রেস-তৃণমূলের সুখের সেদিনের কথা মনে করিয়ে দেয় বিশেষজ্ঞ মহলে! প্রশ্ন উঠতে শুরু করে 'ইন্ডিয়া'র হাত ধরে কি আবার কাছাকাছি আসবে কংগ্রেস ও তৃণমূল?
কংগ্রেস ও তৃণমূলের এখন অহি-নকুল সম্পর্ক বাংলায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলকে সেখানে সমর্থনের কথা ভাবতেই পারে না কংগ্রেস। এমনকী দিল্লি নিয়েও এতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যালার্জি ছিল কংগ্রেসে! তবে কি সেই দূরত্ব এবার ঘুচতে চলেছে জাতীয় রাজনীতির কল্যাণে?
কংগ্রেস ও তৃণমূল কাছাকাছি আসবে কি না, তা ভবিষ্যৎ বলবে। তবে জাতীয় রাজনীতির স্বার্থে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাহুল গান্ধী যে কাছাকাছি এসে গিয়েছেন, তা স্পষ্ট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এদিনের বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে কংগ্রেস। মমতার স্থার হয়েছিল রাহুল ও সোনিয়ার মাঝে।
তিনি ভাষণও দিয়েছেন কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের পরে। আর এই ভাষণেই তিনি রাহুলের প্রতি তাঁর স্নেহের বার্তা দিয়েছেন। রাহুলকে আমার ফেভারিট বলে আখ্যা দিয়েছেন। বলেছেন আমাদের ভবিষ্যৎও। তাঁর এই বার্তার পিছনে লুকিয়ে রয়েছে ভবিষ্যৎ 'ইন্ডিয়া'র মুখও।
কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়েছে, তাঁরা প্রধানমন্ত্রী পদ ও ক্ষমতার প্রতি লালায়িত নয়। তাঁরা চান না প্রধানমন্ত্রী পদ ও ক্ষমতা। তাঁরা সবাই মিলে একজোট হয়ে দেশের গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে চান। সেই লক্ষ্যেই একত্রে লড়াইয়ের অঙ্গীকার করেছে কংগ্রেস ও তৃণমূল-সহ সমস্ত দল।
'ইন্ডিয়া'র বৈঠক থেকে শুরু হয় ঐক্যের পথ চলা। আর সেই একতার মন্ত্রই হল ইন্ডিয়া। ভারতকে বাঁচাতে ভারতকেই তুলে ধরা হল মোদীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে। এনডিএ-র বিরুদ্ধে খাঁড়া করা হল ইন্ডিয়াকে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সামনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হল ইন্ডিয়ার ঐক্যকে। রাহুল যখন বললেন মোদী ও ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই এবার, তখন মমতা প্রশ্ন তুললেন এই ইন্ডিয়াকে কি চ্যালেঞ্জ করতে পারবে বিজেপি? ফলে মিলে গেল দুই নেতা-নেত্রীর কণ্ঠস্বরও।












Click it and Unblock the Notifications