Opposition Meet: দ্বিতীয় বিরোধী বৈঠকে ২৪টি দল! যোগদানের সম্ভাবনা সোনিয়া গান্ধীরও
সোনিয়া গান্ধীও এবার যোগ দিতে পারেন বেঙ্গালুরুতে দ্বিতীয় বিরোধী বৈঠকে। পাটনায় প্রথম বৈঠকের পর বেঙ্গালুরুতে দ্বিতীয় বৈঠক চূড়ান্ত হয়েছে। এই বৈঠকে মোট ২৪টি দল যোগ দিতে পারে বলে জানানো হয়েছে। ১৭-১৮ জুলাই বৈঠকে কোন কোন দলের যোগদানের সম্ভাবনা, তাও স্পষ্ট করা হয়েছে।
১৭ জুলাই ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী দলের নেতাদের ডিনারে আমন্ত্রণ জানাবেন সমস্ত বিরোধী দলকে। ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ এবার নতুন এন্ট্রি নিচ্ছে এই বৈঠকে। অধ্যাদেশ ইস্যুতে কংগ্রেসের সমর্থনের ইস্যুতে পাটনায় প্রথম বৈঠকে আম আদমি পার্টি উষ্মা প্রকাশ করে বেরিয়ে গেলেও তাদেরও আমন্ত্রণ করা হয়েছে।

কংগ্রেস পার্লামেন্টারি পার্টির চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী বেঙ্গালুরুর বৈঠকেও যোগ দিতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। কর্নাটকের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমারও দাবি করেছিলেন, সেনিয়াজি বিরোধী বৈঠকে অংশ নেবেন। পাটনার বৈঠকে ১৭টি দল অংশ নিয়েছিল। এবার আরও সাতটি নতুন দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
নতুন সাতটি দল হল 'মারুমালারচি দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাজগাম' বা এমডিএমকে, কঙ্গু দেশা মক্কাল কাচি বা কেডিএমকে, বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচি বা ভিসিকে, আরএসপি, ফরওয়ার্ড ব্লক, ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ, কেরালা কংগ্রেস (জোসেফ) ও কেরালা কংগ্রেস (মানি)।
এখানে উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কেডিএমকে এবং এমডিএমকে বিজেপির শরিক ছিল। তারা এনডিএ ছেড়ে ইউনাইটেড ইন্ডিয়ার দিকে ঢলছে এবার। পাটনায় ২৩শে জুনের বৈঠকে রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শরদ পাওয়ার-সহ অন্যান্য বিরোধী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বিরোধী দলের প্রথম ও দ্বিতীয় বৈঠকের মাঝখানে রাজনৈতিকভাবে অনেক কিছু ঘটেছে। ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি শরদ পাওয়ার ও অজিত পাওয়ারের মধ্যে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে। উভয়েই নিজেদেরকে প্রকৃত এনসিপি বলে দাবি করেছে। শরদ পাওয়ার বিরোধীদের একত্রিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
আবার অজিত পাওয়ার শিবিরের নেতা প্রফুল প্যাটেল প্রথম বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি সভাটিকে উপহাস করেছিলেন এবং বলেছিলেন, সমস্ত দলের আলাদা আলাদা অ্যাজেন্ডা থাকে। ফলে এক হওয়া কঠিন। এরপর পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়েছে। সেখানে তৃণমূল ব্যাপক জয় পেয়েছে।
১৭-১৮ জুলাই বেঙ্গালুরুতে যে বৈঠকটি হতে চলেছে, এই বৈঠকটি হওয়ার কথা ছিল ১৩-১৪ জুলাই। কিন্তু মহারাষ্ট্রে এনসিপিতে ভাঙনের জেরে তা পিছিয়ে যায়। বৈঠক পিছনোর জন্য বিহার ও কর্নাটকের বর্ষাকালীন অধিবেশনও একটি কারণ ছিল। মোট কথা, ২০২৪-এর নির্বাচনের আগে দ্বিতীয় বৈঠকে মিলিত হচ্ছেন বিরোধী সমস্ত দলের নেতা-নেত্রীরা।












Click it and Unblock the Notifications