'অপারেশন সিঁদুরের প্রভাব ইতিহাসে লেখা থাকবে', ভারতের অভিযান নিয়ে উচ্ছ্বসিত বায়ুসেনা প্রধান এপি সিং
ভারতীয় বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল অমর প্রীত সিং অপারেশন সিঁদুরকে বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অভিযান হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, এই অপারেশনে ভারতের শক্তিশালী বিমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতা এবং যৌথ পরিষেবার সুপরিকল্পনা বিশেষভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
হিন্দোন বিমান ঘাঁটিতে ৮ অক্টোবরের কুচকাওয়াজের আগে বার্ষিক বায়ুসেনা বাহিনী দিবসের সংবাদ সম্মেলনে এয়ার চিফ মার্শাল বলেন, দীর্ঘ পাল্লার সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (এসএএম) এই সাফল্যের মূল কারণ ছিল। তিনি বলেন, “আমরা পাকিস্তানের ভূখণ্ডের ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি ভিতরে লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে পেরেছি। আমাদের শক্তিশালী বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিস্থিতির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।”

বিমান বাহিনীর প্রধান অবশ্য নির্দিষ্টভাবে জানাননি যে পাকিস্তানের কোন সরঞ্জাম ৩০০ কিলোমিটার পাল্লায় ধ্বংস করা হয়েছে, অথবা কোন ভারতীয় এসএএম সিস্টেম এই সাফল্যের জন্য দায়ী। তবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি রাশিয়ার কাছ থেকে ভারতের কেনা অত্যন্ত উন্নত এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার কথা বলেছেন, যার পাল্লা ৩০০ কিলোমিটারের বেশি। এবং অপারেশন সিঁদুরের পর যেটি সুদর্শন চক্র নামে খ্যাত হয়েছে।
এয়ার চিফ মার্শাল এদিন বলেন, এই অভিযান নির্ভুলতা এবং প্রভাবের জন্য "ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আমরা নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছি, ক্ষয়ক্ষতি সর্বনিম্ন রাখতে পেরেছি। এবং অপারেশন সিঁদুরের মাত্র এক রাতেই ওদের নতজানু করতে পেরেছি।"
বায়ুসেনা প্রধান এই অপারেশনের সময় ভুল তথ্যের মোকাবিলায় মিডিয়ার ভূমিকার ওপরও জোর দেন। তিনি মন্তব্য করেন, "অসংখ্য ভুল তথ্য ছড়ানো হয়েছিল, কিন্তু আমাদের মিডিয়া বাহিনীকে অনেক সাহায্য করেছে। যখন সেনারা যুদ্ধ করে, তখন জনগণের মনোবল যেন প্রভাবিত না হয়, তা চ্যানেলগুলি নিশ্চিত করেছে।" ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে তিনি জোর দিয়ে বলেন, আগামী দিনের যুদ্ধগুলি অতীতের মতো হবে না।
প্রসঙ্গত, ৯৩তম বায়ুসেনা বাহিনী দিবস উপলক্ষে ৮ অক্টোবর হিন্দোন বিমান ঘাঁটিতে একটি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হবে, যার পূর্ণাঙ্গ মহড়া ৬ অক্টোবর হবে। এই কুচকাওয়াজে বায়ুসেনা বাহিনীর প্রধান, নৌবাহিনীর প্রধান এবং সেনাবাহিনীর প্রধান উপস্থিত থাকবেন।












Click it and Unblock the Notifications