বাংলাদেশের বন্যার সঙ্গে ফরাক্কা ব্যারেজ খোলার সম্পর্ক নেই, অভিযোগ ওড়ালো ভারত
বাংলাদেশে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি। গত তিন দশকের মধ্যে এমন ভয়াবহ বন্যা আগে হয়নি। এমনই কথা শোনা যাচ্ছে সেই দেশ থেকে। বাংলাদেশের এই বন্যার জন্য ভারতের দিকে আঙুল উঠছে। ফরাক্কা ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার জন্য এই বন্যা। এই কথাও উঠে আসছে। তবে ভারত এই অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে।
সোমবার বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল একটি বার্তা দিয়েছেন। ফরাক্কা ব্যারেজ খুলে দেওয়ার কারণে বাংলাদেশে বন্যা হয়েছে। এই দাবি করা প্রতিবেদনকে খারিজ করেছেন তিনি। জয়সওয়াল বলেছেন, " ভুল বোঝাবুঝি তৈরি করানো হচ্ছে। জাল ভিডিও, গুজব ছড়ানো হচ্ছে। ভয় দেখানো হচ্ছে। দৃঢ়ভাবে সত্যের মোকাবিলা করা উচিত।

তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশি যৌথ নদী কমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হয়। এবারও সেটি করা হয়েছে। ফরাক্কা ব্যারাজের গেট খোলার মিডিয়া রিপোর্ট দেখা হয়েছে। ১১ লক্ষ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। এই পরিমাণ জল স্বাভাবিক নিয়মেই ছাড়া হয়েছে। প্রতি বার বাংলাদেশের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলা হয়।
বর্ষার বৃষ্টির কারণেই জলস্তর বেড়েছে। নদীতে জল প্রবাহিত হয়েছে। এই দাবি করেছেন তিনি৷ জয়সওয়াল দাবি করেছেন, ফরাক্কা একটি ব্যারাজ। বাঁধ নয়। ফলে জলস্তর সীমানা পেরিয়ে গেলে প্রবাহিত হয়ে যাবেই। তিনি আবার মনে করিয়ে দিয়েছেন, ফারাক্কা বাঁধ নয়, একটি ব্যারাজ। বর্ষার বৃষ্টিতে নদীর জলস্তর সব সময়ই বেড়ে যায়৷ গঙ্গা - পদ্মা দুই নদীর জলস্তর ঠিকভাবে দেখার কাজও থাকে ফারাক্কার উপর।
বাংলাদেশে ভয়াবহ বন্যার পরিস্থিতি চলছে৷ ১৮ লক্ষ মানুষ বন্যার সম্মুখিন। মৃতের সংখ্যা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে? সেই সংখ্যা এখনই বোঝা যাচ্ছে না। এই অবস্থায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক বার্তা দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের অধিবাসীদের একটা অংশ এই বন্যার জন্য ভারতকে দায়ী করছে৷ একাধিক ভিডিও প্রকাশ করা হচ্ছে৷
শুধু ফরাক্কা নয়৷ ত্রিপুরার গোমতী নদীর উপর ডুম্বুর বাঁধও খুলে দেওয়া হয়েছে। সেজন্য বিস্তৃত এলাকা বাংলাদেশে ভেসে গিয়েছে৷ এই মারাত্মক অভিযোগ বাংলাদেশের তরফে করা হয়েছিল৷ যদিও গত সপ্তাহে ভারতের তরফ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়।












Click it and Unblock the Notifications