কাশ্মীরে বরফ নেই, উটিতে তাপমাত্রা নামল শূন্য ডিগ্রিতে, কাঁপছেন পর্যটকরা
আজব কাণ্ড ঘটে চলেছে শীতকাল জুড়ে। যেখানে শীতকালে বরফ দেখতে ছোটেন পর্যটকরা সেখানে গিয়ে হতাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে তাঁদের। বরফ তো দূরের কথা। কলকাতার মতোই ঠান্ডা সেখানে। এদিকে দক্ষিণভারতের উটি। যাকে দক্ষিণ ভারতের কাশ্মীর বলা হয় মনোরম আবহাওয়ার জন্য সেই উটিতে গিয়ে রীতিমতো হিহি করে কাঁপছেন পর্যটকরা।
শূন্য ডিগ্রিতে নেমে গিয়েছে উটির তাপমাত্রা। এমন ঘটনা উটির লোকেই দেখেনি তো পর্যটকরা। সমুদ্রের কাছাকাছি হওয়ায় উটিতে ঠান্ডা পড়লেও সেটা শূন্য ডিগ্রিতে নামেনি কখনও। এবার অস্বাভাবিক হারে তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে উটিতে। উত্তর ভারতে এই সময় প্রচণ্ড ঠান্ডা থাকে বলে পর্যটকরা ভিড় করেন দক্ষিণ ভারতে।

কেরল-কর্নাটক-তামিলনাড়ুতে ভিড় করেন পর্যটকরা। তামিলনাড়ুর হৃদয় বলা হয়ে থাকে উটিকে। সমুদ্রের কাছাকাঠি হিলস্টেশন উটি। সেকারণে এখানকার পরিবেশ অত্যন্ত মনোরম থাকে সারাবছর। খুব শীতও না আবার খুব গরমও না। বেশ একটা মনোরম পরিবেশ। সেই উটিতে এবার একেবারে হাড় কাঁপানো ঠান্ডা। অনেকেই পর্যাপ্ত শীতের পোশাক নিয়ে যাননি সেখানে। তাঁদের একেবারে নাজেহাল দশা হয়েছে।
শুধু উটিই নয় তামিলনাড়ুর নীলগিরি জেলার একাধির জায়গার তাপমাত্রা নেমেছে। কান্থাল এবং থালাইকান্থায় তাপমাত্রা নেমে গদিয়েছে ১ ডিগ্রিতে। বোটানিকাল গার্ডেনের তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি আর স্যান্ডিনালার তাপমাত্রা নেমেছে ৩ ডিগ্রিতে। আর উটির তাপমাত্রা প্রায় ০ ডিগ্রিতে পৌঁছে গিয়েছে। যাকে বলে দিল্লিকে কড়া টক্কর দিচ্ছে দক্ষিণ ভারতের উটি।
হঠাৎ করে আসা শৈত্য প্রবাহের কারণেই নাকি তাপমাত্রার এই পতন। আগামী কয়েকদিনে ঠান্ডা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। শুধু ঠান্ডাই নয় তার সঙ্গে আবার ঘন কুয়াশাও রয়েছে। অর্থাৎ শীতের সঙ্গে জাঁকিয়ে কুয়াশা মনে হচ্ছে বাইরে যেন বরফ পড়ছে। পুরোটাই এলনিনোর কারণে ঘটেছে বলে দাবি করেছেন আবহাওয়া বিদরা। এলনিনোর কারণেই কাশ্মীরের ঠান্ডা উধাও হয়ে গিয়েছে। আর উটিতে হাড়ে কাপুনি ধরাচ্ছে। হঠাৎ করে এই ঠান্ডা এবং কুয়াশার কারণে কফি চাষে প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications