ছত্তিশগড়ে এনকাউন্টার! মৃত্যু ১ নিরাপত্তারক্ষীর, মৃত ৪ মাওবাদীও
ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের সঙ্গে এনকাউন্টার। পুলিশের এক সাব ইনস্পেক্টরের মৃত্যু হয়েছে গুলিযুদ্ধে। চার মাওবাদীরও মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাতে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের সঙ্গে এনকাউন্টার। পুলিশের এক সাব ইনস্পেক্টরের মৃত্যু হয়েছে গুলিযুদ্ধে। চার মাওবাদীরও মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাতে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গত মার্চে সুকমায় এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছিল ১৭ জন নিরাপত্তারক্ষীর।

৫ জনের দেহ উদ্ধার
সূত্রের খবর অনুযায়ী, শুক্রবার রাত ১০.৩০ নাগাদ এই এনকাউন্টার শুরু হয়। যা বেশ বেশ কয়েক ঘন্টা। মানপুর থানার অন্তর্গত পারধনি গ্রামের কাছে গভীর জঙ্গলে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মাওবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছিল নিরাপত্তা বাহিনী। সেই সময় এই সংঘর্ষের ঘটনা। অভিযান শেষে সাব ইনস্পেক্টর এসকে শর্মা এবং ৪ মাওবাদীর দেহ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ডিভিশনার কমিটির সদস্য অশোক এবং এরিয়া কমিটি সদস্য কৃষ্ণা। এছাড়াও বাকি দুজন করিতা ও প্রমিলা নামে দুই মহিলা ক্যাডার।

নির্দিষ্ট সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান
রাজনন্দগাঁও-এর পুলিশ সুপার জিতেন্দ্র শুক্লা জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সূত্রে মাওবাদীদের উপস্থিতি সম্পর্কে জানার পরে অভিযান শুরু হয়। পারধনি গ্রাম ঘিরে ফেলতেই গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। পাল্টা গুলি টালায় নিরাপত্তা বাহিনী।

অস্ত্র উদ্ধার
এই অভিযানের পরে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে একটি একে ৪৭ রাইফেল, একটি এসএলআর, দুটি ৩১৫ বোরের রাইফেল।

গত মার্চে মৃত্যু হয়েছিল কমপক্ষে ১৭ নিরাপত্তাকর্মীর
মার্চের তৃতীয় সপ্তাহে মাওবাদীদের সঙ্গে সংঘর্ষে ১৭ জন জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল। ছত্তিশগড় পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, মৃত জওয়ানদের সব অস্ত্র লুটের কথা। যার মধ্যে ১০ টি একে ৪৭ রাইফেল। অপারেশন শুরু করেছিল ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড, স্পেশাল টাস্ক ফোর্স এবং কোবরা জওয়ানরা। দলে ছিলেন ১৫০ জন নিরাপত্তা কর্মী।
ডিজিপি আরও জানিয়েছিলেন, এই হামলায় মাণ্ডভী হিন্ডার নেতৃত্বে প্রায় ৩০০ মাওবাদী জড়িত ছিল।












Click it and Unblock the Notifications