Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

One Nation One Election: এক দেশ এক ভোট করতে আমূল বদলাতে হবে পরিকাঠামো, জানুন একনজরে

ভারতে 'এক দেশ এক ভোট' প্রথা চালু করতে উদ্যোগী হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই মর্মে নরেন্দ্র মোদী এক কমিটি গড়ে প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছেন। কমিটির মাথায় বসানো হয়েছে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে। কিন্তু একসঙ্গে ভোট করতে গেলে সরকারের আগে বদলাতে হবে পরিকাঠামো।

কী সুবিধা আর কী অসুবিধা হবে, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা কাঁটাছেড়া করতে বসে পড়েছেন। সেইসঙ্গে কার লাভ আর কার ক্ষতি, সেই বিষয়টিও পর্যালোচনা হচ্ছে। হঠাৎ করেই কমিটি গঠন করা হয়ে গেল, বিশেষ অধিবেশন ডাকা হল। নির্বাচনের এই নয়া ব্যবস্থা চালুর জন্যই উদ্যোগ নেওয়া হল কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে। কিন্তু এক লহমায় আমুল বদল বা পরিকাঠামোর পরিবর্তন কি সম্ভব?

One Nation One Election

সংসদে তড়িঘড়ি বিল পাস করিয়ে আগামী বছরই দেশের লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে সমস্ত রাজ্যর বিধানসভা নির্বাচন করিয়ে নিতে চাইছে কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার। সংসদে বিল পাস করানোর পর, দেশের অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ অর্থাৎ প্রায় ২০টি বিধানসভায় এই বিল অনুমোদন করাতে হবে।

এই মুহূর্তে দেশে ১৪টি রাজ্যে এককভাবে বা জোটের সরকার চালাচ্ছে বিজেপি। এখনও ৬টি রাজ্য বিধানসভার অনুমোদন চাই। সংবিধান সংশোধন করলেই শুধু চলবে না। সংসদীয় ব্যবস্থা ও জনপ্রতিনিধি আইনেও অনেক পরিবর্তন আনতে হবে। বিজেপির ২০২৪-এর লোকসভা ভোটের সঙ্গে সমস্ত বিধানসভা নির্বাচন করায় অনেক অন্তরায় রয়েছে।

তবে প্রাথমিক খরচ কমবে মনে হলেও পরিকাঠামো তৈরি করতে খরচ অনেক বাড়বে। একসঙ্গে ভোট করতে গেলে সবার আগে দরকার ইভিএম ও ভিভিপ্যাটের সংখ্যা বাড়ানো। অনেক বেশি সংখ্যক ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট দরকার। প্রতি পোলিং স্টেশনে ইভিএমের দুটি সেট লাগবে। অর্থাৎ ডবল ইভিএম ও ভিভিপ্যাট মজুত রাখতে হবে।

আমাদের দেশে বর্তমানে ১০ লক্ষ ভোট গ্রহণ কেন্দ্র রয়েছে। মনে করা হচ্ছে কমপক্ষে ৪০ শতাংশ ব্যালটিং ইউনিট এবং ২০ শতাংশ কন্ট্রোলিং ইউনিট বাড়াতে হবে। নিদেনপক্ষে ২৮ লক্ষ ব্যালটিং ইউনিট এবং ২৪ লক্ষ কন্ট্রোলিং ইউনিট প্রয়োজন। প্রতি ইউনিটের যথাক্রেম ৮০০০ ও ৯৫০০ টাকা খরচ ধরে মোট ৩৫৭০.৯০ কোটি টাকা বরাদ্দ করতে হবে।

আবার ২৫ হাজার ইউনিট ভিভিপ্যাটের জন্য প্রতিটির ২২৮৫৩ টাকা খরচ হিসেবে বরাদ্দ করতে হবে ৫৭১৩.২৫ কোটি টাকা। শুধু ইভিএম ও ভিভিপ্যাটের খরচেই ৯২৮৪.১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করতে হবে। আবার এই মেশিন ব্যবহার করা যাবে তিন থেকে চারবার অর্থাৎ ১৫ বছর পরেই বাতিল হবে মেশিন। তারপর ফের সেই খরচ। ফলে এক দেশ এক ভোট ব্যবস্থায় খরচ সে অর্থে কমবে না।

এক দেশ এক ভোট ব্যবস্থা চালু হলে কী কী সুবিধা পাওয়া যাবে? তার মধ্যে সর্বপ্রথম আসবে আর্থিক বিষয়টি। আর্থিক খরচ অনেক সাশ্রয় হবে। ভোটকর্মী, যানবাহন, নিরাপত্তা-সমস্ত খাতেই এক খরচে সমস্ত নির্বাচন হয়ে যাবে। সরকারি কাজ ব্যহত হবে না বারবার। পরিষেবা থমকে থাকবে না। কেননা আদর্শ আচরণবিধি লাগু করতে হবে না বারবার।

এর অসুবিধা কী কী? এক দেশ এক ভোট চালু হলে সবথেকে বিপাকে পডবে আঞ্চলিক দলগুলি। তারা নির্বাচনে রাজ্যের জন্য যে পৃথক ইস্তেহার প্রকাশ করবে বা ভিন্ন অ্যাজেন্ডা নিয়ে লড়বে, তা জাতীয় অ্যাজেন্ডার কাছে চাপা পড়ে যাবে। জাতয় দলগুলিই বেশি সুবিধা পাবে। যৌথ ভোটে সর্বদা জাতীয় ইস্যুই প্রাধান্য পায়।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+