One Nation, One Election: এক দেশ, এক নির্বাচন বিল আনতে তৎপর কেন্দ্র, মোদীর মাইলস্টোন গড়ার আগেই বড় খবর

One Nation, One Election: এক দেশ, এক নির্বাচন। বিজেপি তথা এনডিএ-র লোকসভা নির্বাচনে ইশতেহারে যার উল্লেখ ছিল। এবার সেই বিষয়টির বাস্তবায়ন ঘটাতে তৎপর কেন্দ্র।

নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন গত ৯ জুন। তৃতীয় মোদী সরকারের ১০০ দিন পূর্তির আগেই এক দেশ, এক নির্বাচন বিল নিয়ে চর্চা তুঙ্গে।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ, তৃতীয় মোদী সরকারের সময়কালেই এই বিল সংসদে পেশ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। লোকসভা নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি পূরণে বদ্ধপরিকর কেন্দ্র। তাই এই বিলটি পেশের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

গত স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকেও এক দেশ, এক নির্বাচনের পক্ষে সওয়াল করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি সকলকে সংকল্পবদ্ধ হওয়ারআহ্বান জানান। এই মুহূর্তে দেশের জন্য এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। এক দেশ, এক নির্বাচন হলে প্রচুর অর্থও বেঁচে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও মোদী বলেছিলেন, নির্বাচন তিন-চার মাসের মধ্যেই হওয়া উচিত। পাঁচ বছর ধরেই রাজনীতির কোনও দরকার নেই। ইতিমধ্যেই কেন্দ্র রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গড়েছিল। সেই কমিটির রিপোর্ট এক দেশ, এক নির্বাচনের পক্ষেই মত দিয়েছে।

জানা যাচ্ছে, সেই রিপোর্ট বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। তার মধ্যে থেকে উল্লেখযোগ্য পয়েন্টগুলি চিহ্নিত করা হচ্ছে। মোদী আরও বলেন, আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। শুধুই রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা নয়। এক দেশ, এক নির্বাচনের বাস্তবায়ন দেশের পক্ষেই গুরুত্বপূর্ণ।

উল্লেখ্য, রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বাধীন কমিটি সুপারিশ করে লোকসভা নির্বাচন ও বিধানসভা নির্বাচনগুলি একসঙ্গে করানোর। এরপর ১০০ দিনের মধ্যে পঞ্চায়েত, কর্পোরেশন, পুরসভা নির্বাচনের মতো ভোটপর্ব সেরে ফেলা যেতে পারে।

সূত্রের খবর, ল কমিশন এমন সুপারিশ করতে পারে যে, ২০২৯ থেকেই এক দেশ, এক নির্বাচন চালু করা যেতে পারে। এতে সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে গভর্ন্যান্সে সমস্যা কমবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। কেন না, নির্বাচনী বিধি লাগু হলে অনেক সময়ই সরকারের কাজ থমকে যায়। প্রায় প্রতি বছরই নানা নির্বাচন লেগেই থাকে। এক দেশ, এক নির্বাচন হলে সেই সমস্যা দূর হতে পারে।

যদিও এ ক্ষেত্রে নানা প্রতিবন্ধকতাও রয়েছে। আঞ্চলিক দলগুলি মনে করছে, লোকসভা ভোটের সঙ্গে বিধানসভা ভোট একসঙ্গে হলে ভোটারদের কাছে বিভিন্ন ইস্যু তুলে ধরে প্রচারের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। ইভিএম কেনার ক্ষেত্রেও বিপুল খরচের বিষয়টিও ফ্যাক্টর। সেক্ষেত্রে ১৫ বছর অন্তর ১০ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। রাষ্ট্রপতি শাসন জারি, সরকার পড়ে যাওয়া, ভোটের ফল ত্রিশঙ্কু হলে কী হবে সেই বিষয় নিয়েও সংশয় রয়েছে অনেকের।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+