One Nation One Election: ‘এক দেশ, এক ভোট’ বিল নিয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বিজেপি, সুযোগ বুঝে খোঁচা কংগ্রেসের
One Nation One Election: লোকসভায় পেশ করা হয়েছে 'এক দেশ এক ভোট' বিল। তবে বিল নিয়ে একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখে কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপি (BJP)। বিল পাস করাতে সংসদের দুই কক্ষেই দুই তৃতীয়াংশ (Two Third Majority) সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন।
বিজেপির কাছে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা (Single Majority) রয়েছে ঠিকই, তবে দুই তৃতীয়াংশ ভোট পাওয়া বিজেপির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ (Challenge)। আর তা বুঝেই শাসকদলকে খোঁচা দিতে শুরু করেছে কংগ্রেস (Congress)।

'এক দেশ এক ভোট' বিল লোকসভায় (Lok Sabha) পাস করাতে শাসক জোট এনডিএর (NDA) প্রয়োজন ৩৬২টি ভোট। কিন্তু তাদের কাছে রয়েছে মাত্র ২৯৮ জনের সমর্থন। আবার রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) এনডিএর দরকার ১৫৮ জন সাংসদ।
কিন্তু রাজ্যসভায় এনডিএর মাত্র ১৩৫ জন প্রতিনিধির সমর্থন রয়েছে। সংসদের দুই কক্ষ মিলিয়ে ৫০ শতাংশ সমর্থন প্রয়োজন। অর্থাৎ ইন্ডি জোটের (INDI alliance) সমর্থন ছাড়া বিল পাস সম্ভব নয়। যা বিজেপির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।
লোকসভায় বিলের তীব্র বিরোধিতা করে কংগ্রেস, তৃণমূল, সমাজবাদী পার্টি, ডিএমকে, সিপিএম, উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা ও শরদ পাওয়ারের এনসিপি। বিলে সমর্থন জানিয়েছে টিডিপি, ওয়াইএসআর কংগ্রেস, বিজেডি, এডিএমকে, এলজেপি, বিআরএসের মতো দলগুলি। অবিলম্বে বিল প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে ইন্ডি জোট। অন্যদিকে, বিলটিকে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে বিবেচনার জন্য পাঠাতে সুপারিশ বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএর।
মঙ্গলবার তীব্র বাদানুবাদের পর বিল জেপিসিতে পাঠানো নিয়ে সংসদে ইলেকট্রনিক ভোটাভুটি করা হয়। এই প্রথমবার বিল পাসের ক্ষেত্রে ই-ভোটিং করা হল। আর সেখানেই ২৬৯ জন সাংসদ পক্ষে ভোট দেন ও ১৯৮ জন বিপক্ষে ভোট দেন। স্বাভাবিকভাবেই জেপিসি-র অধীনে বিবেচনা করা হবে বিল। আর এরপরই সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপিকে নিশানা করেছে কংগ্রেস।
কংগ্রেসের সাংসদ মানিকরাম ঠাকুর এক্স হ্যান্ডেলে ভোটিং মেশিনের ছবির স্ক্রিনশট পোস্ট কে লেখেন, ৪৬১টি ভোটের মধ্যে দুই তৃতীয়াংশ অর্থাৎ ৩০৭টি প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সরকারের পক্ষে মাত্র ২৬৯টি ভোট পড়েছে। বিরোধীরা পেয়েছে ১৯৮টি। দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন পেল না 'এক দেশ এক ভোট বিল।' বিজেপিকে আক্রমণ শানান অপর কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরও।
লোকসভা সাময়িক মুলতুবি হতেই শশী থারুর বলেন, "সরকারের তরফে বিপুল সমর্থন গেলেও বিল পাসের জন্য দরকার দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা। যা এই সরকারের কাছে স্পষ্টতই নেই। এ থেকেই পরিষ্কার, এই সরকারের বেশিদিন এই বিলের পেছনে পড়ে থাকা উচিত হবে না।"












Click it and Unblock the Notifications