One nation One Election: ‘এক দেশ এক ভোট’ কমিটিতে যোগ দিতে অস্বীকার অধীর চৌধুরীর
কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী কেন্দ্রীয় সরকার গঠিত 'এক দেশ এক ভোট' সংক্রান্ত কমিটিতে থাকবেন না। তাঁর নাম কমিটিতে রাখার পরই তিনি তা অস্বীকার করেন। কেন্রীস য় সরকার এক দেশ এক ভোট প্রথা চালু করার জন্য রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বে আট সদস্যের কমিটিতে অধীর চৌধুরীকে রেখেছিল।
কিন্তু কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী সেই সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারির পরই এক দেশ এক ভোট কমিটিতে থাকতে অস্বীকার করেন। অধীর চৌধুরী ছাড়াও এই কমিটিতে ছিলেন এক বিজেপির অমিত শাহ, কংগ্রেসের প্রাক্তনী বর্তমান আজাজ পার্টির নেতা গুলাম নবি আজাদ, পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের চেয়ারম্যান এন কে সিং-সহ আটজন।

অধীর চৌধুরী বলেন, টোটালি আইওয়াশ। কমিটিকে সামনে রেখে সব সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। এক দেশে এক ভোট সংক্রান্ত কমিটিতে তাঁকে রাখা হলেও রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতাকে রাখা হয়নি। তাই এই কমিটিতে থাকার কোনও অর্থ নেই। আট সদস্যের কমিটিতে আমি থাকছি না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে লেখা একটি চিঠিতে লোকসভার কংগ্রেস দলনেতা অধীর চৌধুরী উল্লেখ করেন, রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গেকে বাদ দিয়ে কমিটিতে রাখা হয়েছে প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদকে। এটি সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিরোধী এবং একটি ইচ্ছাকৃত অপমান।
এই কমিটিতে অন্যান্যদের মধ্যে রাখা হয়েছে লোকসভার প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক সুভাষ কাশ্যপ, সিনিয়র অ্যাডভোকেট হরিশ সালভে, প্রাক্তন চিফ ভিজিলেন্স কমিটির সদস্য কমিশনার সঞ্জয় কোঠারি, আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়ালও এই কমিটিতে আমন্ত্রিত হিসেবে যোগ দেবেন।
এই কমিটি শুধু লোকসভা নির্বাচন ও বিধানসভা নির্বাচন একই সঙ্গে হওয়ার বিষয়টিই খতিয়ে দেখবে না, খতিয়ে দেখবে পুরসভা ও পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিষয়টিও। কিন্তু এই এক দেশ এক ভোট প্রথা কার্যকর করতে গিয়ে সংবিধানের তোয়াক্কা করছে না সরকার।
সাধারণ নির্বাচনের কয়েক মাস আগে কেন এই প্রচেষ্টা সেটা নিয়েও প্রশ্ন জাগছে মনে। বাস্তবিকভাবে এবং যৌক্তিকভাবে অবাস্তবায়ন যোগ্য ধারণা নিয়ে সরকার একটি ভুল উদ্দেশ্য চরিচার্ত করতে এগোচ্ছে। এটি দেশের পক্ষ, সংবিধানের পক্ষে উদ্বেগজনক বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেন অধীর চৌধুরী।












Click it and Unblock the Notifications