‘করোনা ভাইরাস ইয়া কোভিড ১৯ সে আজ পুরা দেশ লড় রহা হ্যায়’, জানেন কি এই কন্ঠের নেপথ্যে কে
‘করোনা ভাইরাস ইয়া কোভিড ১৯ সে আজ পুরা দেশ লড় রহা হ্যায়’, জানেন কি এই কন্ঠের নেপথ্যে কে
গত তিন মাস ধরে ফোনে যে কোনও নম্বর ডায়াল করলেই করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে বিধিবদ্ধ সতর্কতা শোনা যায়। এক মহিলার কন্ঠ আমাদের জানায় কোভিড–১৯–এর আগাম সতর্কতা ও কি করে এর সংক্রমণ প্রতিরোধ করা যায়। দিনে ১০ বার একই গলায় একই কথা শুনতে শুনতে আপনার মনে কৌতুহল জাগতেই পারে এই কন্ঠের নেপথ্যে থাকা মহিলাটি কে।

ভয়েস ওভার শিল্পী জসলিন ভাল্লা
‘করোনা ভাইরাস ইয়া কোভিড ১৯ সে আজ পুরা দেশ লড় রহা হ্যায়। মগর ইয়াদ রহে হামে বিমারি সে লড়না হ্যায়, বিমার সে নহি। উনসে ভেদভাও না করে।' বিগত ৩ মাসে এই কথাগুলোর সঙ্গে আমরা সকলেই পরিচিত। শুধু হিন্দি কিংবা ইংরেজিতেই নয়, বরং প্রত্যেকটি আঞ্চলিক ভাষাতেও এই কথাগুলো শোনা যায়। এই কথার পেছনে যিনি রয়েছেন তিনি আর কেউ নন, তিনি হলেন এক ভয়েস ওভার শিল্পী জসলিন ভাল্লা। সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাতকারে জসলিন প্রকাশ করলেন নিজের ব্যাপারে এবং কি করে তাঁর কন্ঠ এত জনপ্রিয় হয়ে উঠল সে বিষয়েও জানালেন।

করোনা সচেতনতা নিয়ে ঠাট্টার পাত্র হতে হয়েছে
জসলিন জানিয়েছেন, এটা তাঁর কাছে নতুন কিছু নয় কিন্তু তাঁর গলা কলারটিউন হিসাবে দেশবাসীর কাছে এতক্ষণ ধরে পৌঁছাবে এবং সেটা পরে বিরক্তিকর লাগবে তা বুঝতে পারেননি। তিনি জানান, এটা নিয়ে প্রথমে তাঁর পরিবার, বন্ধু-বান্ধবরা ঠাট্টা করতে শুরু করে পরে তা ইন্টারনেটে মিম হিসাবেও পরিণত হয়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রস্তাব
যদিও নিজের গলা রেকর্ডের আগে তিনি একটু জানতেন যে ভারতে প্রত্যেক ফোন কলে তাঁর গলা শোনা যাবে। কোভিড-১৯ নিয়ে তাঁর গলা রেকর্ডের জন্য জসলিনকে প্রস্তাব দেওয়া হয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে, ওইদিনটা অন্য দিনের মতোই খুব সাধারণ ছিল। জসলিন ভেবেছিলেন যে ফোনে তাঁর গলা ১০ দিন বা তার কিছু বেশিদিন শোনা যাবে।

১০ বছর ধরে ভয়েস ওভার শিল্পী
জসলিন অতীতে ক্রীড়া সাংবাদিকের কাজও করেছেন। যদিও গত ১০ বছর ধরে তিনি ভয়েস-ওভার শিল্পীর কাজই করছেন। এর আগেও দিল্লি মেট্রো, দিল্লি পুলিশ, ভারতীয় রেল, এয়ারটেলের মতো একাধিক ক্ষেত্রে কণ্ঠস্বর দিয়েছিলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications