ডেল্টার থেকেও দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে ওমিক্রন, থার্ড ওয়েভের সিঁদুরে মেঘ দেশে
ডেল্টার থেকেও দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে ওমিক্রন, থার্ড ওয়েভের সিঁদুরে মেঘ দেশে
ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের থেকেও দ্রুত ছড়াচ্ছে ওমিক্রন ভ্যারিেয়ন্ট। ২ ডিসেম্বর প্রথম ভারতে ধরা পড়েছিল ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ। তার ১ মাসের মধ্যেই দেড় হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। কাজেই ডেল্টার থেকেও দ্রুত ছড়াতে শুরু করেছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ। চিকিৎসকরা দাবি করেছেন ২ থেকে ১ সপ্তাহের মধ্যে ৫ গুণ বাড়বে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ। সেটা আরও মারাত্মক হতে পারে যদি মানুষ সচেতন না হন।

২০২১-এর মে মাসে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের মারাত্মক সংক্রমণ ঘটেছিল ভারতে। দিনে লক্ষ লক্ষ মানুষ করোনা আক্রান্ত হতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু দৈনিক যে হারে সংক্রমণ ছড়াচ্ছিল সেটা তুলনামূলক ভাবে ওমিক্রনের থেকে কম বলে দাবি করা হচ্ছে। কারণ গত কয়েকদিনে দ্বিগুণের বেশি লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা। রবিবার দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩,৭৫০ জন। ১৭ সেপ্টেম্বরের পর একদিনে যা রেকর্ড সংক্রমণ বলে দাবি করা হচ্ছে। গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে সাড়ে ৬ হাজারের কাছাকাছি করোনা ভাইরাসের ৈদনিক সংক্রমণ ঘটেছিল। ২ জানুয়ারি ছিল ১৮ হাজারের কিছু বেশি। কাজেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। এবং তাঁর সংক্রমণের হার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি।
গবেষকরা আগেই সতর্ক করেছিলেন যে ফেব্রুয়ারি মােস চরমে উঠবে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। অর্থাৎ থার্ড ওয়েভ শুরু হয়ে যাবে েফব্রুয়ারি মাস থেকে। কিন্তু যে হারে সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করেছে ভারতে তাতে জানুয়ারি থেকেই করোনা ভাইরাসের থার্ড ওয়েভ শুরু হয়ে গিয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে তাতে দিনে ১৬ থেকে ২০ লক্ষ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ হবে ভারতে। তারমধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হতে পাকে ৬০ হাজারের বেশি মানুষকে। কারণ ডেল্টার চেয়ে দ্রুত সংক্রমণ ছড়ালেও ডেল্টা সংক্রমণে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ছিল বেশি। সেকারণে করোনা সংক্রমণের সেকেন্ড ওয়েভে দেশে প্রবল অক্সিজেন সংকট দেখা দিয়েছিল। বাইরে থেকে অক্সিজেন আমদানি করতে হয়েছিল মোদী সরকারকে। কিন্তু ওমিক্রন দ্রুত সংক্রমণ ছড়ালেও েতমন মারাত্মক নয়। বেশিরভার রোগীই বাড়িতে থেকে চিকিৎসা করাতে পারবেন তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে না। কারণ ৫ থেকে ৬ দিনের মধ্যেই ওমিক্রন আক্রান্ত ব্যক্তি মোটামুটি সুস্থ হয়ে উঠছেন। এখনও পর্যন্ত ২ জনই দেশে মারা গিয়েছেন ওমিক্রন ভ্যাকিয়েন্টের সংক্রমণে। একজন মহারাষ্ট্রের এবং দ্বিতীয় জন রাজস্থানের উদয়পুরের।












Click it and Unblock the Notifications