দিল্লিতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির পেছনে ভিলেন ওমিক্রন ও তার সাব–ভ্যারিয়েন্ট, দাবি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের
দিল্লিতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির পেছনে ভিলেন ওমিক্রন ও তার সাব–ভ্যারিয়েন্ট, দাবি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের
দিল্লিতে আচমকা করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণ ওমিক্রন ও তার উপরূপ বিএ.২.১২। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের এক সূত্র জানিয়েছে, এপ্রিলের প্রথম ১৫ দিনের মধ্যে আক্রান্তদের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে ওমিক্রনের বিএ.২.১২ সনাক্ত হয়েছে অধিকাংশ দিল্লিবাসীর মধ্যে। আর শহরে সাম্প্রতিক কোভিড–১৯ বৃদ্ধি পাওয়ার পিছনে কারণ এটা সহ ওমিক্রনের ৯টি সাব-ভ্যারিয়েন্ট।

দিল্লির কিছু নমুনার মধ্যে সনাক্ত
যদিও ভারতীয় সার্স-কোভ-২ জেনোমিকস কনর্সোটিয়াম (ইনসাকগ)-এ সূত্রের দাবি ওমিক্রন ভ্যারিয়ান্টের উপরূপ বিএ.২.১২ দিল্লির কিছু নমুনার মধ্যে সনাক্ত হয়েছে, এই উপরূপের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক করোনা সংক্রমণ দেখা গিয়েছে। তবে দিল্লির কিছু নমুনায় এই ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গিয়েছে তা যদিও সরকারিভাবে স্বীকার করা হয়নি। সরকারি সূত্রের খবর, ‘নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট বিএ.২.১২ (৫২ শতাংশ নমুনায়) ও বিএ.২.১০ (১১ শতাংশের নমুনায়) উচ্চ সংক্রমণযোগ্য এবং তা সম্প্রতি পাওয়া গিয়েছে দিল্লি সিক্যুয়েন্সের মোট ৬০ শতাংশের বেশি নমুনায়।'

হরিয়ানা–উত্তরপ্রদেশে পাওয়া গিয়েছে সাব–ভ্যারিয়েন্ট
সরকারিভাবে বলা হয়েছে, দিল্লির প্রতিবেশি জেলা উত্তরপ্রদেশ ও হরিয়ানার সিক্যুয়েন্স নমুনায় এই একই সাব-ভ্যারিয়েন্ট বেশি বা কম মাত্রায় পাওয়া গিয়েছে। বুধবার দিল্লিতে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১,০০৯ জন, যা একদিন আগের সংক্রমণ থেকে লাফিয়ে ৬০ শতাংশ বেড়েছে।

করোনা পজিটিভ কেস বাড়ছে
কিছুদিন আগে দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন বলেছিলেন, ‘দিল্লিতে করোনায় পজিটিভ কেসের সংখ্যা বাড়ছে। তবে আমরা ১০০ শতাংশ টিকাকরণ সম্পূর্ণ করেছি। অধিকাংশ বাসিন্দা ইতিমধ্যেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তারপর হাসপাতালে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা নেহাতই কম। এলে এটাকে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি বলা যায় না। গোটা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছি আমরা।'

সাব ভ্যারিয়েন্টগুলি আরও বেশি সংক্রামক
উদ্বেগ বাড়িয়ে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ওমিক্রন বিএ.২-এর থেকে আরও বেশি সংক্রামক তাঁর সাব ভ্যারিয়েন্টগুলি। এই সাব ভ্যারিয়েন্টগুলির কারণেই নতুন করে মহামারি পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে আমেরিকা, নিউ ইয়র্ক সহ ইওরোপেরও বেশ কয়েকটি দেশে। জানুয়ারি মাসেও ভারতে কোভিড পরিস্থিতির চূড়ান্ত অবনতির পিছনে কারণ ছিল এই ওমিক্রন। ওমিক্রনের প্রজনন সংখ্যা ১০, যা সর্বোচ্চ সংক্রমের পর্যায়, তাই এটার সংক্রমণযোগ্যতা একই থাকবে এবং হাতের পরিচ্ছন্নতা, সামাজিক দুরত্ব ও মাস্কে অনুপস্থিতিতে তা ছড়িয়ে পড়তে পারে। সরকারিভাবে দেশের পাঁচটি রাজ্যে করোনা সংক্রমণের বাড়াবাড়ি দেখা গিয়েছে। যেগুলি হল দিল্লি (১০০৯), হরিয়ানা (৩১০৩), উত্তরপ্রদেশ (১৬৮৪), মহারাষ্ট্র (১৬২৫) ও মিজোরাম (১০৩)।












Click it and Unblock the Notifications