Cyclone Dana: 'দানা' আতঙ্কে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় খালি করা হচ্ছে পুরী, ১৪ জেলার আধিকারিকদের ছুটি বাতিল
প্রহর গুণছে ওড়শা। বিধ্বংসী গতিতে পুরী এবং সাগরের মাঝে ওড়িশার ধামড়া বন্দরে আছড়ে পড়তে চলেছে ঘূর্ণিঝড় দানা। গতকাল থেকেই পুরী থেকে পর্যটকদের চলে যাওয়ার নির্দেশ জারি করেছে ওড়িশা সরকার।
অবিলম্বে পুরীর হোটেল খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পুলিশ প্রশাসনের আধিকারীকরা পুরীর সমুদ্র সৈকত খালি করার কাজ শুরু করে দিয়েছে। সব হোটেলের মালিকদের সঙ্গে কথা বলে পর্যটকদের চলে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। আগামী ২৪-২৫ অক্টোবর পুরীতে যাতে কেউ না আসেন তার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

২৪ অক্টোবর ওড়িশার ধামড়াবন্দরে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় দানা। প্রাথমিকভাবে এমনই পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমডি। তবে এখনও পর্যন্ত সঠিক করে কোনও স্থানের উল্লেখ করা হয়নি। আগামীকাল থেকেই পশ্চিমবঙ্গ সহ ওড়িশার একাধিক জেলায় দানার আদমন বার্তা নিয়ে হাজির হবে নিম্নচাপ। পশ্চিমবঙ্গের ১১টি জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বুধবার থেকে পশ্চিমবঙ্গের দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি জেলায় বর্ষণ শুরু হয়ে যাবে। রাতের পর থেকে বৃষ্টির দাপট শুরু হয়ে গিয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় এবং কলকাতায় বৃহস্পতিবার তীব্র বর্ষণ শুরু হয়ে যাবে। তার সঙ্গে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। ওড়িশার ১৪টি জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
এই ১৪টি জেলার সব সরকারি আধিকারীকদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সব স্কুলে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের পক্ষ তেকে ২৫টি এনডিআরএফের টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে। সেই সঙ্গে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দলকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
পুরী, বালেশ্বর, গঞ্জাম, জাজপুর, খুড়দা সহ একাধিক জায়গায় ঘূর্ণিঝড়ের ঝাপটা পড়বে বলে আগে থেকেই সতর্ক করেছে আইএমডি। ভুবনেশ্বরে ৭২টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সেখানে নিয়ে যাওযা হচ্ছে। আগে থেকেই শুকনো খাবার, জল মজুত করে রাখা হয়েছে। বুধবার রাত থেকে বৃষ্টির দাপট বাড়তে শুরু করবে পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশার উপকূলবর্তী জেলা গুলিতে।
পশ্চিমবঙ্গের দিঘা, মন্দারমনি, গোপালপুর, শঙ্করপুরে পর্যটকদের সতর্ক করা হয়েছে। হোটেল মালিকদেরও সতর্ক করা হয়েছে। সুন্দরবনেও এই ঝড়ের প্রভাব পড়বে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর। একাধিক বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সেকারণে আগে থেকে সেচ দফতরের আধিকারীকরা সতর্ক রয়েছেন। সুন্দরবনের একাধিক নীচু এলাকায় বাঁধের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications