‘অ্যান্টিভাইরাস’ ধোসা–ইডলি খেতে চান? চলে আসুন ওড়িশার একটি স্ট্রিট ফুড কর্নারে
‘অ্যান্টিভাইরাস’ ধোসা–ইডলি খেতে চান? চলে আসুন ওড়িশার একটি স্ট্রিট ফুড কর্নারে
যে কোনও জিনিসের নামের ওপরওই সবকিছু নির্ভর করে। সেরকমই ওড়িশার বেহরমপুরের একটি টিফিন সেন্টারের নাম সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেল এবং এই নাম সাম্প্রতিক সময়ে খুবই প্রাসঙ্গিক। টিফিন সেন্টারের নাম রাখা হয়েছে, 'অ্যান্টিভাইরাস টিফিন সেন্টার’।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এই পোস্টে নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া দেখলেও হাসি পাবে। এক নেটিজেন এই পোস্ট দেখে লিখেছেন, 'আশা রাখব দোকানদার খাবারের মধ্যে স্যানিটাইজার মেশান না।’ তারই পাল্টা জবাবে আর এক নেটিজেন লেখেন, 'শুধু এ গ্রেডের ব্লিচ মেশায়।’
স্ট্রিট ফুড বা টিফিন সেন্টার ভারতের সব শহর বা নগরীর প্রত্যেক অংশেই প্রচুর পরিমাণে দেখা যায়। এইসব স্ট্রিট ফুড বা টিফিন কর্নারগুলি ভালো খাবার ও একটু চটকদার দোকানের নাম দিয়ে খাদ্য রসিকদের কাছে টানতে চায়। তবে কিছু কিছু ফুড সেন্টার আবার খাবারের চেয়ে রকমারি নাম দিয়ে ক্রেতাদের কাছে টানার চেষ্টা করে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ওড়িশার যে দোকানটি ভাইরাল হয়েছে, সেখানে ৫–৬ জন ক্রেতাকে খাবার খেতে দেখা গিয়েছে। তাও সামাজিক দুরত্ব বজায় না রেখে। সাইনবোর্ডে লেখা রয়েছে ইডলি, পুরি, উপমা, বড়া, সিঙ্গারা, ধোসা সহ সবকিছুই পাওয়া যাবে। যদিও দোকানে সামাজিক দুরত্ব সহ অন্যান্য কোভিড বিধি একেবারেই মানা হচ্ছে না। দোকানের নাম ও ক্রেতাদের উদাসীনতা দেখে এক নেটিজেন লেখেন, 'শেফ হাতে গ্লাভস মাথায় ক্যাপ না পরে রান্না করছেন। যারা পরিবেশন করছেন তাদের হাতে গ্লাভস বা মুখে মাস্ক নেই, সত্যিই এটি অ্যান্টিভাইরাস।’ এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে একজন দারুণ মজাদার জবাব দিয়েছেন, তিনি লিখেছেন, 'আপনি যখন অ্যান্টিভাইরাস ধোসা খাচ্ছেন, আপনার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়েছে। তাই স্পষ্ট যে মাস্ক বা দুরত্বের দরকার নেই।’












Click it and Unblock the Notifications