টিকা নয়, নীল টিক নিয়েই লড়াইয়ে নেমেছে কেন্দ্র! টুইটার ইস্যুতে খোঁচা রাহুলের
টিকা নয়, নীল টিক নিয়েই লড়াইয়ে নেমেছে কেন্দ্র! টুইটার ইস্যুতে খোঁচা রাহুলের
নয়া ডিজিটাল বিধি হোক বা প্রাইভেসি পলেসি, একাধিক তাবড় তাবড় সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থার সঙ্গে কেন্দ্রেক ঝামেলা এখন যেন রোজ নামচায় পরিণত হয়েছে। এদিকে গত বছর থেকে কৃষক আন্দোলন, টুলকিট সহ একাধিক ইস্যুতে কেন্দ্র-টুইটার সংঘাত চরমে ওঠে। এমতাবস্থায় কয়েকদিন আগেই উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু, মোহন ভাগবতসহ আরএসএস-এর শীর্ষ নেতৃত্বের ব্যক্তিগত টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে 'ব্লু টিক’ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ পদ্ম শিবির। এবার এই ইস্যুতেই খোঁচা দিতে দেখা গেল রাহুল গান্ধীকে।

রাহুলের দাবি করোনা যুদ্ধে মনোনিবেশ করার জায়গায় ব্লু টিক নিয়ে যুদ্ধে নেমেছে কেন্দ্র। কিন্তু টিকাকরণ নিয়ে তাদের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। এমনকী মোদীর আত্মনির্ভর ভারত মিশনের প্রসঙ্গ টেনে এনেও খোঁচা দিতে ছাড়েননি কংগ্রেস সাংসদ। এদিন এক টুইটে কটাক্ষের সুরে রাহুল বলেন এই কঠিন সময়ে যদিও কেউ ভ্যাকসিন নিতে চায় তবে তার আত্মনির্ভর হওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। এখানেই বোঝা যায় আদপে মোদী সরকার কোন জিনিসগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে চায়।
এদিকে এর আগেও কেন্দ্রের করোনা সংক্রান্ত একাধিক কর্মসূচির চাঁচাছোলা ভাষায় সমালোচনা করেন রাহুল গান্ধী। বর্তমানে তাঁর দাবি, করোনা মোকাবিল হোক বা টিকা প্রদান, প্রতিক্ষেত্রেই ব্যর্থ মোদী সরকার।এদিকে রাহুল গান্ধীর এই মন্তব্যের পর ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন বিজেপি নেতা সম্বিত পাত্র। তাঁর দাবি টুইটারে রাজনীতি করাই রাহুল গান্ধীর কাছে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই সারাদিন বসে বসে টুইটারেই পোস্ট করে ক্ষোভ প্রকাশ করে যাচ্ছেন।
এদিকে রাহুলের এই টুইটের পর তীব্র চাপানৌতর শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলেও। যদিও টুইটার কেন্দ্র যুদ্ধ নিয়ে এখনও বিশেষ মুখ খুলতে রাজি নয় বিজেপি শিবির। যদিও তাদের একাংশের দাবি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই এই কাজ করা হচ্ছে। যদিও বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগে এর আগে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট খোদ ডোনাল্ড ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট ডিলিট পর্যন্ত করে দেয় টুইটার। তাই বিপির প্রতিহিংসার যুক্তি কতটা জল পায় এখন সেটাই দেখার।












Click it and Unblock the Notifications