শুধু রাহুল গান্ধী নন, এর আগেও অনেকের সাংসদ পদ খারিজ হয়েছে, জেনে নিন তাঁরা কারা?
মানহানির মামলায় দোষী সাব্যস্ত রাহুল গান্ধী। ২ বছরের সাজা শুনিয়েছে সুরাত আদালত। তারপরেই রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ খারিজ করা হয়। তবে শুধু রাহুল গান্ধী নন আরও অনেক নেতারই এই একই কারণে সাংসদ পদ এর আগে খারিজ করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধেও একই ধারায় মামলা হয়েছিল।

রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ খারিজ
গতকাল গুজরাতের সুরাত আদালত সাংসদ রাহুল গান্ধীকে মানহানি মামলায় দোষী সাব্যস্ত করেছে। সেকারণে ২ বছরের কারাদণ্ডের সাজা শুনিয়েছে আদালত। যদিও সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে জামিন দেওয়া হয়েছে। তবে ৩০ দিনের মধ্যে তাঁকে উচ্চতর আদালতে আবেদন করতে হবে। মোদী টাইটেল নিয়ে মন্তব্য করায় ২০১৯ সালে তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়েছিল সুরাত আদালতে। সেই মামলাতেই ভারতীয় দণ্ডবিধির ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।

জাগির কৌর
শুধু রাহুল গান্ধী নন এরকম এর আগেও অনেেকর সাংসদ পদ খারিজ করা হয়েছে। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জাগির কৌর জানিয়েছেন, নিজের মেয়ে অপহরণ এবং গর্ভপাত করানোর অভিযোগে তাঁর সাংসদ পদ খারিজ করা হয়েছিল।

লালু প্রসাদ যাদব
আরজেডি সুপ্রিমো লালু প্রসাদ যাদবের সাংসদ পদও খারিজ হয়েছিল এই একই আইনে। ২০১৩ সালে তাঁর সাংসদ পদ খারিজ করা হয়েছিল। কারণ ছিল সেই দুর্নীতির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়া এবং ৫ বছরের কারাদণ্ডের সাজা।

ইন্দিরা গান্ধী
রাহুল গান্ধীর ঠাকুমা ইন্দিরা গান্ধীর সাংসদ পদও একটা সময়ে খারিজ করা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছিল নির্বাচনে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন তিনি। এলাহাবাদ হাইকোর্ট রায়বরেলি কেন্দ্রে তাঁর নির্বাচন খারিজ করা হয় এবং সাংসদ পদ থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। সেই সঙ্গে ৬ বছরের জন্য তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। এবং তার পরেই জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী।

উমলেশ যাদব
উত্তর প্রদেশের বইশুলি কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন উমলেশ যাদব। নির্বাচন কমিশন তাঁর বিধায়ক পদ খারিজ করে দেয় এবং ৩ বছর তিনি ভোটে লড়তে পারবেন না বলে জানিয়ে দেয়।

জয়ললিতা
প্রয়াত এআইডিএমকে সুপ্রিমো জয়লতিতাকেও এই শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছিল। হিসাব বহির্ভুত সম্পত্তি রাখার অভিযোগে বেঙ্গালুরু আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়েিছলেন তিনি। তারপরেই তাঁর সাংসদ পদ খারিজ করে দেওয়া হয়।

নরোত্তম মিশ্র
নির্বাচনে খরচের ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগে তিন বছরের জন্য নরোত্তম মিশ্রকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

আজম খান
উত্তর প্রদেশে দাপুটে সমাজবাদী পার্টি নেতা আজম খান। তাঁর বিধায়ক পদও খারিজ করা হয়েছিল এই রিপ্রেজেন্টেশন অব পিপল অ্যাক্টের মাধ্যমে। একই ভাবে লক্ষ্মদ্বীপের সাংসদ মহম্মদ ফয়জলের সাংসদ পদও খারিজ হয়েছিল। ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসেই তাঁর সাংসদ পদ খারিজ হয়।












Click it and Unblock the Notifications