ভোপাল নয়, গান্ধীনগর থেকেই লড়বেন সিদ্ধান্ত আদবানীর

ভোপাল নয়, গান্ধীনগর থেকেই লড়বেন সিদ্ধান্ত আদবানীর
নয়াদিল্লি, ২১ মার্চ : ভোপাল না গান্ধীনগর? বিজেপির প্রবীন নেতা লালকৃষ্ণ আদবানীর লোকসভা কেন্দ্র নিয়ে দু'দিন ধরে চরম দ্বন্ধের পর অবশেষে নিজেই জানিয়ে দিলেন গান্ধীনগর থেকেই লড়ছেন তিনি।

অবশেষে মানভঞ্জন। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে গান্ধীনগর নয়, ভোপাল থেকে লড়তে চেয়েছিলেন আদবানী। অথচ বিজেপির নির্বাচন কমিটি তা খারিজ করে দেয়। এর ফলে নজিরবিহীনভাবে যেদিন আদবানীর কেন্দ্র নির্দিষ্ট হওয়ার কথা ছিল, সেদিন বৈঠকে হাজিরই হননি তিনি। এরপরও গান্ধীনগর থেকেই আদবানী লড়বেন বলে কমিটির তরফে ঘোষণা করা হলে বেঁকে বসেন আদবানী।

ভোপাল থেকে নির্বাচন লড়ার সিদ্ধান্তেই অনড় থাকতে চান তিনি। বিজেপির প্রবীন নেতার এহেন আচরণে বেশ কিছুটা অস্বস্তিতে পড়ে দল। বিরোধীরাও প্রশ্ন তুলতে শুরু করে বিজেপি নয় এবারের নির্বাচন মোদীর। তাই আদবানীর মতো দলের বরিষ্ঠ নেতাদের কোণঠেসা করা হচ্ছে।

অস্বস্তি কাটাতে এবং প্রবীন নেতার মানভঞ্জনে বৃহস্পতিবার সকাল সকালই েআদবানীর বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন নরেন্দ্র মোদী। প্রায় এক ঘন্টা থাকার পর বেরিয়ে আসেন তিনি। এর পর একে একে বিজেপির শীর্ষ নেতারা অর্থাৎ সুষমা স্বরাজ, বেঙ্কাইয়া নাইডু,অরুণ জেটলি, রাজনাথ সিং, আদবানীর সঙ্গে কথা বলেন। তাতেও কোনও লাভ না হওয়ায় শেষপর্ষন্ত রাজনাথ সিং আদবানীর কোর্টেই বল ফেলে দেন।

দলে নিজের গুরুত্ব বোঝাতেই লালকৃষ্ণ আদবানীর এই অভিমান পর্ব বলে করছেন অনেকেই

এদিন সন্ধ্যায়, সাংবাদিকদের রাজনাথ সিং জানান, 'আদবানীজি' ভোপাল থেকে লড়তে চাইছেন। বিজেপির নির্বাচন কমিটি তাঁর জন্য গান্ধীনগর কেন্দ্র ভেবেছিল। শেষ সিদ্ধান্ত নেবেন 'আদবানীজি'। এর কিছুক্ষণ পরে আদবানী নিজেই ঘোষণা করেন তিনি গান্ধীনগর থেকেই লড়বেন।

কেনই বা প্রথমে ভোপালের জন্য এত কাণ্ড করলেন আর শেষ পর্ষন্ত কেনই বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নিজের হাতে থাকা সত্ত্বেও কেন গান্ধীনগরকেই শেষমেষ বেছে নিলেন তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের ধারণা আডবাণী লড়তে চাইছিলেন ভোপাল থেকে। নরেন্দ্র মোদীর সমর্থকরা তাঁকে হারিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন তাই আডবাণী শিবরাজ সিং চৌহানের রাজ্য থেকে লড়ার কথা বলছেন। এদিকে এর আগে প্রবল চাপানউতোরের মাঝে আডবাণীকে আরএসএসের বার্তা ছিল,গান্ধীনগর থেকে লড়াই করুন অথবা ময়দান ছাড়ুন। ভোপালকে বেছে নিলে যদি আরএসএস-এর তোপের মুখে পড়তে হয় তাই অবস্থান বদল।

তবে, অন্য অংশের ধারণা, বিরোধীরা অনেকদিন ধরেই প্রশ্ন তুলছেন আদবানীর অবসর নিয়ে নেওয়া উচিত। দলের জন্য তিনি এখন বোঝা হয়ে উঠেছেন। তাই দলের মধ্যে তার গুরুত্ব কতটা তা বাজিয়ে দেখতেই এই এতকাণ্ড। একইসঙ্গে বিরোধীদেরও প্রমাণ করে দেওয়া দলে তার প্রভাব এখনও কতটা।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+