তীব্র গরমের শেষে মুক্তির স্বাদ উত্তর-পশ্চিমে , বৃষ্টিতে লাফিয়ে নামল পারদ
দীর্ঘদিন ধরে গরমে ভয়ঙ্কর খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল হরিয়ানা ও পাঞ্জাবে। শেষ পর্যন্ত সেখানে মিলল মুক্তি। সৌজন্যে বৃষ্টি এবং তাতেই গরম থেকে মুক্তি মিলেছে, গতকাল প্রবল বৃষ্টি হয় , এই জন্যই তাপমাত্রা বেশ খানিকটা কমে গিয়েছে ওই দুই রাজ্যে। হাওয়া অফিস এমনটাই জানিয়েছে।

হরিয়ানা এবং পাঞ্জাবের অনেক জায়গা শনিবারে সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় কমে গিয়েছে, কারণ গতকাল ওই দুই রাজ্যেই প্রবল বৃষ্টিপাত হয়ে বলে জানা গিয়েছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে এমনটাই খবর মিলেছে। জানিয়েছে। পারদের নামার আগে বিগত বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে উত্তর-পশ্চিমের রাজ্যগুলিতে প্রবল গরম চলছিল। সঙ্গে ছিল লু-এর প্রভাব। তাপপ্রবাহে কার্যত নাকাল হয়ে পড়েছিল মানুষ। তাপপ্রবাহ এবং প্রবল গরম থেকে জনসাধারণকে বৃষ্টি যে মুক্তির স্বাদ দিয়েছে তা বলা যেতেই পারে।
আবহাওয়া দফতরের মতে, উভয় রাজ্যের রাজধানী চণ্ডীগড়ের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা শনিবার ৩১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছে যা শুক্রবার ৩৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল। সেখান থেকেই তাপমাত্রা প্রায় ৬ ডিগ্রি নেমে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
শুক্রবারের বৃষ্টির পর বেশিরভাগ জায়গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক নিচে নেমে গেছে, শনিবার হরিয়ানার আম্বালায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিকে, কর্নালে সর্বোচ্চ ৩০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কুরুক্ষেত্র-২৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, হিসার-৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রোহতক-৩৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। পাঞ্জাবের জলন্ধরে ২৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পাতিয়ালা-২৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং অমৃতসর ও লুধিয়ানাতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। , পাঠানকোটেও সর্বোচ্চ ৩২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে, যেখানে ভাটিন্ডার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এদিকেকলকাতায় বর্ষার আগমন হয়েছে। তবে ১১ জুনের জায়গায় ১৮ জুন। এতে অস্বাভাবিক কিছু দেখছেন না আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা। কেননা গত ১০ বছরের আবহাওয়া ইতিহাস ঘটালেই দেখা যাবে, এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বেশ কয়েকবার। সব মিলিয়ে দক্ষিণবঙ্গের ১০ জেলায় বর্ষা ঢুকেছে। একইসঙ্গে কমেছে তাপমাত্রা।
Recommended Video
এদিন বিকেলে আবহাওয়া দফতরের তরফে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ১৯ জুন অর্থাৎ রবিবার সকালের মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের দু-একটি জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাকিজেলাগুলিতে হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। পরবর্তী ২৪ ঘন্টা অর্থাৎ ২০ জুন সোমবার সকালের মধ্যে বীরভূম ও মুর্শিদাবাদে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাকি জেলাগুলিতে হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। আপাতত কোথাও দিনের তাপমাত্রার পরিবর্তনের সেরকম কোনও সম্ভাবনা নেই। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দুই ২৪ পরগনা, নদিয়া, হাওড়া, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর, দুই বর্ধমান ও বীরভূমে বর্ষা প্রবেশ করেছে। বাকি জেলাগুলিতে আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে বর্ষা ঢুকে পড়বে।












Click it and Unblock the Notifications