Waqf Hearing in SC: ওয়াকফ আইনের 'বিতর্কিত' অংশে আপাতত স্থগিতাদেশ, ৭ দিনে কেন্দ্রের জবাব তলব সুপ্রিম কোর্টের
Waqf Hearing in SC: ওয়াকফ আইনের বিতর্কিত অংশগুলি কার্যকরে আপাতত স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার আর্জিতে সাড়া দিয়ে কেন্দ্রকে এব্যাপারে ব্যাখ্যা দিতে ৭ দিনের সময়সীমাও বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট। ৫ মে রয়েছে পরবর্তী শুনানি। ওই দিনই প্রয়োজনে কোনও নির্দেশ দেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার। তবে পরবর্তী শুনানি না হওয়া পর্যন্ত একাধিক বিষয় বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রধান বিচারপতির।
এদিন বিচারপতি সাফ জানিয়ে দেন, পরবর্তী শুনানি না হওয়া পর্যন্ত 'ওয়াকফ বাই ইউজার' অর্থাৎ দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় কাজে ব্যবহৃত জমিকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করার যে রেওয়াজ রয়েছে, তা বাতিল করা যাবে না। অর্থাৎ, ঘোষিত ওয়াকফ সম্পত্তিতে কোনও বদল ঘটানো যাবে না। একইসঙ্গেও পরবর্তী শুনানির আগে ওয়াকফ বোর্ড ও পর্ষদে কোনও নিয়োগ করা যাবে না বলেও জানিয়ে দিল শীর্ষ আদালত।

আদালতের নির্দেশে বলা হয়, "পরবর্তী শুনানি না হওয়া পর্যন্ত ওয়াকফ বোর্ড ও পর্ষদে না নিয়োগ করার ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। ইতিমধ্যেই গেজেটে ঘোষিত ওয়াকফ সম্পত্তিগুলির স্টেটাসে কোনও বদল ঘটানো হবে না বলেও আশ্বাস দিয়েছেন এসজি।" এই অন্তর্বর্তী নির্দেশ কার্যকরে এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে, ওয়াকফ সম্পত্তিগুলির বৈশিষ্ট্যে আপাতত কোনও পরিবর্তন ঘটানো হচ্ছে না।
এব্যাপারে জবাব দিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে ৭ দিনের সময় আবেদন করেন কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। আবেদনে সাড়া দিয়ে ৭ দিনের সময় বেঁধে দেয় কোর্ট। মামলাকারীদেরও ৫ দিনের মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। এদিন এসজি মেহতার দাবি, ওয়াকফ আইন প্রত্যক্ষ হোক বা পরোক্ষভাবে একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। যদিও সুপ্রিম কোর্টের এদিনের শুনানিতেই ইঙ্গিত, গোটা আইনের স্থগিতাদেশের পক্ষে নাও সওয়াল করতে পারে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ।
এদিন বিচারপতি বলেন, "আদালত আগেই জানিয়েছে এই আইনের অবশ্যই ভালো কিছু দিক রয়েছে। গোটা আইনটাই স্থগিত করে দেওয়ার কথা বলা হয়নি। কিন্তু এখনের যা পরিস্থিতি, তা বদলে যাক চাই না। আদালতে বিচারাধীন বিষয়। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে।" ওয়াকফ আইনের আরও একটি যে ধারা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, তা হল ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর পাঁচ বছর পূর্ণ না হলে ওয়াকফের হাতে জমি বা সম্পত্তি তুলে দেওয়া যাবে না। সেসবে আপাতত স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।
প্রসঙ্গত, ওয়াকফ আইনকে চ্যালেঞ্জ করে ৭২টি মামলার শুনানিতে বুধবার কেন্দ্রকে সরাসরি বিচারপতি প্রশ্ন করেন, এখন থেকে মুসলিমদেরও হিন্দু ধর্মীয় ট্রাস্টগুলিতে সদস্য হতে দেওয়া হবে কি? প্রকাশ্যে বলুন। ১৪, ১৫ ও সতেরো শতকে নির্মিত মসজিদগুলির কোনও দলিল ছিল না। সেগুলিকে কীভাবে রেজিস্টার করা হবে সেই প্রশ্নও করেন বিচারপতি। শুনানি শেষে বুধবার মুর্শিদাবাদের হিংসা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন প্রধান বিচারপতি।












Click it and Unblock the Notifications