'পকসো আইনে সাজাপ্রাপ্ত ধর্ষকদের ক্ষমাপ্রার্থনাও বিবেচনা করা উচিত নয়', বললেন রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ
ধর্ষণকারীদের জন্য দয়া নয়। তাদের থেকে কোনও ক্ষমাপ্রার্থনাও বিবেচনা করা হবে না। জানিয়ে দিলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। দেশে ক্রমাগত বেড়ে চলা মহিলাদের উপর অত্যাচারের ঘটনায় রীতিমতো ফুঁসছে দেশ। এরই মাঝে আজ রাষ্ট্রপতি বলেন, পকসো আইনে অপরাধী প্রমাণ হওয়াদের ক্ষমাপ্রার্থনার আবেদন করতে দেওয়া উচিত না।

'এই বিষয়ে সংসদকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে'
রাজস্থানের ধর্মীয় সংগঠন ব্রহ্মকুমারীর একটি সভায় বক্তৃতা রাখার সময় এই কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতি বলেন, 'এই বিষয়ে সংসদকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।' তিনি আরও বলেন, 'মহিলাদের সুরক্ষা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।' এদিকে ২০১২ সালের গণধর্ষণ কাণ্ডে অভিযুক্ত বিনয় শর্মার ক্ষমাপ্রার্থনার আবেদন রাষ্ট্রপতিকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বররাষ্ট্র মন্ত্রক।
|
সংসদে সরকারকে তোপ কংগ্রেসের
এদিকে যেই সংসদের উপর এই বিষয়ে আস্থা স্থাপন করছেন রাষ্ট্রপতি, সেই সংসদ আজ মহিলাদের উপর ঘটে চলা বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতে উত্তাল হয়ে ওঠে। বিজেপি সরকারকে আক্রমণ করে অধীর আজ বলেন, 'দেহের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে উন্নাওয়ের নির্যাতিতার। এই দেশে এটা কী হচ্ছে? আমাদের সরকার সরকার রাম মন্দির তৈরিতে ব্যস্ত, ওদিকে সীতা মাকে জ্যান্ত পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এত সাহস অপরাধীরা কী করে পায়?'
|
প্রতিবাদে সংসদ ত্যাগ কংগ্রেস সাংসদদের
আজ সকালেই হায়দরাবাদ ধর্ষণ কাণ্ডে অভিযুক্তদের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়। যা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায় সংসদে। দেশে ক্রমাগত বেড়ে চলা এরকম ঘটনার প্রতিবাদে সরকারের নিষ্কৃয়তার অভিযোগ এনে সরব হন কংগ্রেস সাংসদরা। পরে প্রতিবাদে তারা সভাকক্ষ ত্যাগ করেন।
|
বিরোধীদের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ বিজেপির
চলতে থাকে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের পালা। এই বিষয়ে বিজেপি সাংসদ স্মৃতি ইরানি বলেন, 'আপনারা (বিরোধী সাংসদ) এখানে চেল্লাচ্ছেন, যার অর্থাৎ আপনারা চান না যে কোনও মহিলা উঠে দাঁড়িয়ে নিজের বক্তব্য পেশ করুক।' এরপর তৃণমূলকে আক্রমণ করে স্মৃতি বলেন, 'আপনারা তখন কেন কোনও কথা বলেননি যখন রাজনৈতিক অস্ত্র হিসাবে ধর্ষণকে বেছে নেওয়া হয়েছিল।'
|
'আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যায় না'
সংসদে অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে বিজেপি সাংসদ মানেকা গান্ধী বলেন, 'যা হয়েছে তা ভয়বহ। শুধু মনে করলেই কাউকে এভাবে মেরে দেওয়া যায় না। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যায় না। অবশ্য আদালতে তুললে অভিযুক্তদের ফাঁসি হত। তবে আমরা যদি আমরা আইনী প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই অভিযুক্তদের গুলি করে দেই তবে পুলিশ, আদালত, এসব রাখার অর্থ কী?'












Click it and Unblock the Notifications