Nobel Prize: সিভি রমনের পর বিজ্ঞানের কোনও বিভাগেই জোটেনি নোবেল, কেন খরা কাটছে না ভারতের?
Nobel Prize: অক্টোবর মানেই নোবেল পুরস্কার ঘোষণার মাস। চলতি বছরে অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করে শেষ হয়েছে নোবেল প্রাপকদের তালিকা। কিন্তু প্রায় ৯৪ বছরের খরা কাটেনি ভারতের (India)। দীর্ঘকাল ধরে পদার্থবিদ্যা, রসায়ন কিংবা মেডিসিন বিভাগে একটিও নোবেল আসেনি ভারতের ঝুলিতে। ১৯৩০ সালে পদার্থবিদ্যায় নোবেল জিতেছিলেন সিভি রমন। সেটিই শেষবার।
ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানীরা (Indian-Origin Scientists) অনেকেই নোবেল জিতেছেন। তাঁদের মধ্যে হরগোবিন্দ খোরানা, সুব্রহ্মণ্যম চন্দ্রশেখর এবং ভেঙ্কটরমন রামকৃষ্ণান রয়েছেন। কিন্তু এরা কেউই ভারতের নাগরিক ছিলেন না। তাঁদের গবেষণাও হয়েছে বিদেশের মাটিতে। কাজেই বিজ্ঞানের কোনও শাখাতেই ভারতের শিঁকে ছেড়েনি।

দেশের মাটিতে কি তাহলে গবেষণার সুপরিকাঠামো নেই? (Inadequate Infrastructure) গবেষকরা বলছেন, প্রাথমিক গবেষণা (Fundamental Research) করার উৎসাহ এদেশে নেই। পাশাপাশি, সরকারি বিনিয়োগ, আমলাতন্ত্রের বেড়াজাল, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে গবেষণার মানের অবনমন, ইত্যাদি কারণে জনসংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেলেও গবেষকদের সংখ্যা হাতে গোনাই।
তবে শুধু ভারতই নয়, গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে কোটি কোটি বরাদ্দ করেই চিন ও ইজরায়েলেরও একই অবস্থা। যার জেরে স্বভাবতই নোবেল প্রাইজের উপর পশ্চিমি দুনিয়ার একাধিপত্যের বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে।
আমেরিকা, ইউরোপের দেশগুলিতে অত্যাধুনিক পরিকাঠামো ও গবেষণার অনুকূল পরিবেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উঠতে পারছে না এশিয়ার একাধিক দেশ। এক্ষেত্রে জাপান অবশ্য ব্যতিক্রম। বিশ্বব্যাপী এই বৈপরীত্যই বুঝিয়ে দেয়, বিজ্ঞান ও গবেষণায় আমেরিকা ও ইউরোপের আধিপত্য।
একইসঙ্গে নোবেল সিলেকশন কমিটির পক্ষপাতিত্ব নিয়েও দানা বেঁধেছে প্রশ্ন। নোবেল প্রাইজে বহু ভারতীয় বিজ্ঞানীদের মনোনয়ন হলেও যোগ্য স্বীকৃতি তাঁরা পাননি, এমন নজিরও রয়েছে আগে। মেঘনাদ সাহা থেকে শুরু করে সত্যেন্দ্রনাথ বোস, উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী পদার্থবিদ্যা ও রসায়নে নোবেল পাননি। অন্যান্যদের মধ্যে জগদীশচন্দ্র বোস, কে এস কৃষ্ণাণকেও যোগ্য স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি।
শেষবার ১৯৭০ এ পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ও ১৯৫৩ তে মেডিসিন বিভাগে মনোনীত হয়েছিলেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা। এর জেরেই নোবেল সিলেকশন কমিটির নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দিগ্ধ সব মহল। গুটিকয়েক মগজধারীরা রয়েছেন এই কমিটির মাথায়। যার জেরেই যোগ্য় হয়েই বিশ্বের দরবারে সমাদৃত হতে পারছেন না ভারতীয় বিজ্ঞানীরা।
ভারতের এই খরা কাটাতেই প্রয়োজন বহুমাত্রিক ব্যবস্থা। এক্ষেত্রে শুধু গবেষণা খাতে বরাদ্দা বাড়ালেই হবে না, প্রয়োজন তার সঠিক রূপায়ণও। বিশ্বের কাছে বিজ্ঞানীদের তুলে ধরতে হলে দেশেই গবেষণার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা আশু প্রয়োজন। গবেষকদের মতে, একমাত্র দেশে বৈজ্ঞানিক গবেষণার পরিবেশের খোলনলচে বদলেই বিজ্ঞানীদের বিশ্বের মঞ্চে তুলে ধরা সম্ভবপর হবে ভারতের।
-
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস -
চিপকে হার চেন্নাই সুপার কিংসের, সহজেই জিতল শ্রেয়স আইয়ারের পাঞ্জাব কিংস -
আরও একটি মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, কী বলছে আমেরিকা?












Click it and Unblock the Notifications