কেবল প্রধানমন্ত্রী মোদীর নামে ভোট পাওয়ার গ্যারান্টি নেই! ২০২৪-এর আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মন্তব্যে জল্পনা
২০১৪ থেকে শুরু। পশ্চিমবঙ্গে মোদীর (narendra modi) প্রচারে বিজেপির (bjp) কোনও লাভ না হলেও, হিন্দি বলয়ের বিভিন্ন রাজ্যে প্রধানমন্ত্রীর নামেই বিজেপি ভোট যুদ্ধে সাফল্য পেয়েছে। তবে এব্যাপারে অন্য চিন্তাভাবনাও শুরু করেছে
২০১৪ থেকে শুরু। পশ্চিমবঙ্গে মোদীর (narendra modi) প্রচারে বিজেপির (bjp) কোনও লাভ না হলেও, হিন্দি বলয়ের বিভিন্ন রাজ্যে প্রধানমন্ত্রীর নামেই বিজেপি ভোট যুদ্ধে সাফল্য পেয়েছে। তবে এব্যাপারে অন্য চিন্তাভাবনাও শুরু করেছে গেরুয়া শিবির। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাও ইন্দ্রজিৎ সিং হরিয়ানায় (haryana) দলের অভ্যন্তরীণ বৈঠকে জানিয়েছেন, সেখানে তৃতীয়বারের জন্য নির্বাচনী যুদ্ধে জয় পেতে মোদীর নামের ওপরে তাঁরা নির্ভর করবেন না।

বিজেপির বৈঠকের ভিডিও প্রকাশ্যে
বিজেপির অভ্যন্তরীণ বৈঠকের ছবি প্রকাশ্যে এসে পড়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, পরিকল্পনা এবং কর্পোরেট বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীকে বলতে দেখা যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদীর আশীর্বাদ তাদের ওপরে রয়েছে, এই রাজ্যে। কিন্তু সেখানে কোনও গ্যারান্টি নেই যে তাঁর (মোদীর) নামেই ভোট আসতে পারে। বিজেপির উদ্দেশ্যই হবে, যাতে ভোটাররা নরেন্দ্র মোদীর নামে যাতে ভোট দেন। কিন্তু নিচুতলার বিজেপি কর্মীদের ওপরেই তা নির্ভর করবে, এই ভোট নিশ্চিত করার জন্য।

২০১৪-র ভোটের তুলনা
২০১৪-র সাধারণ নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয় নিয়ে তিনি বলেছেন, মোদীজির জন্যই তাঁরা নিশ্চিত ছিলেন কেন্দ্রে বিজেপি সরকার গঠন করবে। রাজ্যগুলির ওপরে কাসকেডিং এফেক্ট ছিল। এমন কী হরিয়ান, যেখানে প্রথমবারের জন্য সরকার গঠন করতে পেরেছিল বিজেপি। এটা ঘটেছিল দ্বিতীয়বার সরকার গঠনের ক্ষেত্রেও। কিন্তু সাধারণভাবে অন্য কোনও দল এই সুযোগ পেয়ে থাকে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেছেন, প্রথমবার হরিয়ানায় ৯০ আসনের মধ্যে বিজেপি ৪৭ টি আসন দখল করেছিল। আর দ্বিতীয়বার ৪০ টি আসন দখল করেছিল। এই পরিস্থিতিতে যে জয়ের ব্যবধান করবে, এটাই স্বাভাবিক বলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। কীভাবে ৪৫ টি আসন দখল করা যায়, তার জন্য চিন্তা করতে হবে। ২০২৪-এ হরিয়ানা বিধানসভার নির্বাচন হবে। সেই সময় মনোহরলাল খাট্টার সরকার তৃতীয়বারের জন্য ভোট চাইবে।

হরিয়ানায় নানা বিতর্ক
তবে গত প্রায় একবছর ধরে হরিয়ানার বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার বিভিন্ন বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে। কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতা করা কৃষকদের বিরুদ্ধে বল প্রয়োগের মতো ঘটনাও ঘটেছে। সর্বশেষ ঘটনা ২৮ অগাস্টের। কার্নালে জাতীয় সড়কে অবরোধ করা কৃষকদের ওপরে লাঠি চালায় হরিয়ানার পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে হওয়া বিজেপির এক সভার বিরোধিতা করছিলেন কৃষকরা। পুলিশের লাঠি চালনার ঘটনায় ১০ জন কৃষক আহত হয়েছিলেন।

সরকারের বিরুদ্ধে জোরদার আন্দোলন
এরই মধ্যে কৃষকরা আরও উত্তেজিত হয়ে উঠেছিলেন সেপ্টেম্বরে। যখন দেখা যায় এক আইএএস আধিকারিক পুলিশকে বলছেন কৃষকদের মাথা ভেঙে দাও। মুখ্যমন্ত্রী ওই আধিকারিকের মন্তব্যকে সমর্থন করেছিলেন। এর পরেই মুখ্যমন্ত্রীর একটি ভিডিও সামনে আসে। জেরে বিরোধী কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ করা হয়, আন্দোলনরত কৃষকদের ওপরে বিজেপি কর্মীদের হামলার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। তবে মুখ্যমন্ত্রীর অফিস থেকে দাবি করা হয়, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পুরো অংশ না দেখিয়ে অংশ বিশেষ দেখানো হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications