মুম্বইয়ের কিশোরের মৃত্যুর পেছনে কি নীল তিমির খেলা, কী বলছে পুলিশ
মুম্বইয়ের কিশোরের মৃত্যুতে এখনও পর্যন্ত ব্লু হোয়েল চ্যালেঞ্জের কোনও তথ্য পায়নি মুম্বই পুলিশ। ফলে মারণ ওই গেমের নেশাতেই কিশোর আত্মঘাতী হয়েছে কিনা তা এখনই সেই সিদ্ধান্তে আসা যাচ্ছে না।
নীল তিমির নেশাতেই মুম্বইয়ের কিশোর আত্মঘাতী হয়েছে কিনা তার কোনও প্রমাণ এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক তদন্তের পর এমনটাই মনে করছে মুম্বই পুলিশ। ওই ছাত্রটি অনলাইন গেম ব্লু হোয়েলে কতটা আশক্ত ছিল তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গত শনিবার আন্ধেরির ওই কিশোর আত্মঘাতী হওয়ার পর একজন প্রত্যক্ষদর্শীর মতে ওইদিন ছাদের ধার দিয়ে হাঁটছিল সে। হাতে ছিল মোবাইল ফোন। বেশ কয়েকবার ডাকা সত্ত্বেও সাড়া না দিয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রটি সাততলার ছাদ থেকে ঝাঁপ দেয়। তারই বন্ধুরা সোশ্যাল সাইটে মারণ ব্লু হোয়েল গেম নিয়ে আলোচনা করছিল বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। সেখান থেকেই প্রাথমিক ধারনা তৈরি হয়ে যে ব্লু হোয়েলের আশক্ত হয়েই গেমের শেষ চ্যালেঞ্জ পুরো করতে আত্মহত্যা করেছে ওই কিশোর।
মুম্বই পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত কিশোরের মোবাইল ফোনটি পরীক্ষা করে কিছু পাওয়া যায়নি। তার ল্যাপটপের পাশাপাশি যে সমস্ত সোশ্যাল সাইটে সে সক্রিয় ছিল তাও খতিয়ে দেখা বাকি রয়েছে। ফলে ওই কিশোর যে নীল তিমির নেশাতেই আত্মঘাতী হয়েছে এখনই তা বলা যাচ্ছে না। তার অন্তিম ক্রিয়া সম্পন্ন করতে পরিবার নাসিকে যাওয়ার ফলে পরিবারের সঙ্গেও কথা বলা এখনও সম্ভব হয়নি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

রাশিয়া থেকেই এই ব্লু হোয়েল অনলাইন ভিডিও গেমটি চালু হয়েছে। এই গেম-এ বেশ কিছু কাজ পর পর করার জন্য প্রতিযোগীদের চ্যালেঞ্জ করা হয়। ৫০ দিনের মাথায় সেই কাজ শেষ করার নির্দেশ থাকে। যার সর্বশেষ চ্যালেঞ্জ থাকে আত্মহত্যা করার জন্য। আর শুরু থেকে শেষ পর্য়ন্ত সমস্ত চ্যালেঞ্জেরই ভিডিও করে রাখার নির্দেশ থাকে গেম -এ। ফলে সব চ্যালেঞ্জ পার হলে শেষে আত্মঘাতী হতে হয় প্রতিযোগীকে। নীল তিমির প্রতি বিশ্বের একটা বড় অংশের কিশোরদের আশক্তি বেড়েই চলেছে।












Click it and Unblock the Notifications