ভিনরাজ্যে থাকা দিনমজুরদের ফেরাতে নারাজ নীতীশ, খারিজ করলেন যোগীর প্রস্তাব!
শনিবার সকাল থেকে উত্তরপ্রদেশের গাজিপুরে কয়েকশ দিনমজুর জমায়েত করেছে তাদের নিজেদের বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে। দেশজুড়ে লকডাউন জারি হওয়ার পর থেকেই দিল্লিতে আটকে পড়েছে উত্তরপ্রদেশ, বিহারের কয়েক হাজার দিনমজুর। এদের মধ্যে অনেকেই পায়ে হেঁটে বাড়ি ফেরার চেষ্টায় রয়েছে। তবে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ ছড়ানো আটকাতে সরকারের নির্দেশ, যে যেখানে আছে সে সেখানেই থাকুক।

বাহিরের দিনমজুরদের ফেরাতে যোগীর প্রস্তাব
এই পরিস্থিতিতে আজ উত্তরপ্রদেশে থাকা বিহারের বহু দিনমজুরকে তাদের রাজ্যে ফেরানোর জন্য বিশেষ বাসের ব্যবস্থা করার কথা জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তবে যোগীর এই প্রস্তাবকে নাকচ করে দেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। তিনি জানিয়ে দেন, ভীন রাজ্যে থাকা কাউকেই রাজ্যে ফেরাতে তিনি ইচ্ছুক নন।

নীতীশের সিদ্ধান্তে অবাক সবাই
যেখানে দেশ জুড়ে ভীন রাজ্যে থাকা কর্মীদের নিজেদের রাজ্যে ফেরানোর বিষয়ে নানাবিধ পদক্ষেপ করছে নানা সরকার, তখন নীতীশের এই পদক্ষেপ স্বভাবতই অবাক করেছে অনেককে। কয়েকদিন আগেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলেন সেরাজ্যে থাকা বাঙালি কর্মীদের ফেরানোর বিষয়ে আলোচনা করতে। সেখানে যোগী আদিত্যনাথ এই বিষয়ে বিহারকে সাহায্য করতে চাইললে তা ফিরিয়ে দেন নীতীশ।

নীতীশের যুক্তি
নীতীশের বক্তব্য, যদি অন্য রাজ্যে বসবাসকারীদের বিহারে ফিরিয়ে আনা হয়, তবে লকডাউনের কোনও অর্থ থাকবে না আর। রাজ্যে ফেরা মানুষদের মধ্যে কারোর যদি করোনা হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে তা আরও ছড়িয়ে পড়বে রাজ্যে। তাই তিনি ভীন রাজ্যে থাকা বিহারিদের ফেরাবেন না।

২১ দিনের লকডাউনের জেরে বিপাকে বহু মানুষ
করোনা আতঙ্কে ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা সরকারের। কিন্তু যে সমস্ত গরীব মানুষ অর্থের জন্য বড় শহরে এসে কাজ করেন, তাঁরা তাঁদের গ্রামে ফিরতে শুরু করে দিয়েছেন। রাস্তা একেবারে জনশূণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সরবরাহের দোকানগুলিও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এই পটভূমিতে, দৈনিক মজদুর ও দরিদ্র শ্রমিকরা প্রতিদিনের যোগান জোগাড় করতে সংগ্রাম করছে। কোনও সহযোগিতা কারোর থেকে না পেয়ে, হাজার হাজার শ্রমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে তাঁরা তাঁদের বাড়িতে ফেরত যাবেন।












Click it and Unblock the Notifications