বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা নীতীশ কুমারের

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিলেন নীতীশ কুমার।

BIG_BREAKING

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফাই দিলেন নীতীশ কুমার। বেশ কয়েকদিন ধরেই তেজস্বী যাদব-এর পদত্যাগ বিতর্কে রাষ্ট্রীয় জনতা দল এবং সংযুক্ত জনতা দলের মধ্যে দূরত্ব বাড়ছিল। বুধবার সন্ধ্যায় পাটনায় ইস্তফার কথা ঘোষণা করেন নীতীশ কুমার। এদিন বিকেলেই রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের কাছে ইস্তফাপত্র জমা করেন তিনি। এরপরই বাইরে বেরিয়ে এসে ইস্তফার কথা ঘোষণা করেন।

অবশেষে ভাঙল বিহারের মহাজোট সরকার

সম্প্রতি লালু প্রসাদ যাদব এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে বেনামি সম্পত্তি মামলা দায়ের করে সিবিআই। এরপর পাটনা, দিল্লি সহ দেশের একাধিক জায়গায় লালুপ্রসাদের বিভিন্ন ঠিকানায় কয়েক দফায় তল্লাশি অভিযানও চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

নীতীশ কুমারের সাংবাদিক সম্মেলনের ভিডিও দেখুন...

এমনকী, নীতীশ কুমারের মেয়ে মিশা ভারতী এবং তাঁর স্বামীকেও বারবার ডেকে পাঠাতে থাকে ইডি। লালুপুত্র তথা বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবও কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত হন। বিহারের মহাজোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের যুক্তি ছিল নিজেকে দুর্নীতির অভিযোগ থেকে মুক্ত করুন তেজস্বী। তারপর উপমুখ্যমন্ত্রী পদে ফেরত আসুন। কিন্তু, নীতীশ কুমারদের এই যুক্তি মানতে রাজি ছিলেন না আরজেডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদব।

দুর্নীতি ইস্যুতে ক্রমেই যে জমি আলগা হচ্ছে তা বুঝতে পারছিলেন নীতীশ কুমার। ক্রমশই বিজেপি-র চাপ বাড়ছিল সরকারের উপরে। বুধবার রাজ্যপালের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দেওয়ার পরে নীতীশ কুমার সাফ জানান, 'তিনি কাফকেই কোনও ইস্তফা দিতে বলেননি।' তিনি নাকি শুধু তেজস্বীকে বলেছিলেন আগে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে।

নীতীশ কুমারের দাবি, কেন্দ্রের নোট বাতিলের বিরুদ্ধে তিনি সরব হয়েছিলেন। কারণ, তাঁর মনে হয়েছে এটা কোনওদিন দেশের সাধারণ নাগরিকদের উপকার করবে না। তাঁর মতে, তিনি বরাবরই দুর্নীতির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। তাই যে রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মারাত্মক অভিযোগ রয়েছে সেখানে তাঁর পক্ষে কাজ করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন নীতীশ কুমার। তাঁর দাবি, যেহেতু তেজস্বী বা আরজেডি দুর্নীতির অভিযোগকে উড়িয়ে দিচ্ছে তাতে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না। কারণ, এমন দুর্নীতির পরিবেশে তিনি কাজ করতে পারবেন না বলে দাবি করেন নীতীশ কুমার। সেই কারণে ইস্তফা বলে জানান নীতীশ কুমার।

এদিকে, নীতীশের ইস্তফার পরই সাংবাদিক সম্মেলন করেন লালুপ্রসাদ যাদব। তাঁর অভিযোগ, খুনের মামলার খাঁড়া ঝুলছে নীতীশের উপরে। তাই বিজেপি-র দেওয়া আপোষে নীতীশ সমঝোতা করেছেন। সেইসঙ্গে তাঁর দাবি, বিহারের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল আরজেডি। বিহারের মানুষের দেওয়া সমর্থন তাঁদের সঙ্গে। তাই বিহারের সরকার গঠনের অধিকার আরজেডি-রই পাওয়া উচিত বলে দাবি করেন লালু।

অন্যদিকে, কংগ্রেসের পক্ষে রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা অভিযোগ করে বলেন, বিহারের রাজনৈতিক ডামাডোলের পিছনে বিজেপি-র গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে। প্রচুর অর্থের খেলা হয়েছে বলেও বিজেপি-র দিকে আঙুল তুলেছেন সুরজেওয়ালা।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+