কারা ছিলেন সঙ্গে, নীতীশ কুমার পাল্টি খাওয়ায় কীভাবে ভেস্তে গেল লালু যাদবের গেম প্ল্যান
আটাশে জানুয়ারির রবিবার সকালে রাজ্যপালের কাছে ইস্তফা পত্র দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের পাঁচবার পাল্টি খাওয়া সম্পূর্ণ হয়েছে। বিকেলে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ফের একবার শপথ নিয়েছেন। আগামী লোকসভা নির্বাচনের জন্য বিজেপি ও জেডিইউ-এর আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত বলেও জানা গিয়েছে।
নীতীশ কুমার শেষবারের জন্য বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন ২০২২ সালে। তিনি এনডিএ জোট ছেড়ে বেরিয়ে আরজেডি-কংগ্রেস-বামেদের মহাজোটে যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। উল্লেখ করা প্রয়োজন বিহার বিধানসভায় ২৪৩ টি আসনের মধ্যে আরজেডির আসন সংখ্যা ৭৯। যা নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা থেকে ৪৩ কম। যা ছিল নীতীশ কুমারের দল জেডিইউয়ের।

অন্যদিকে বিহারের মহাজোটের অন্তর্ভুক্ত কংগ্রেস ও বামদলগুলির আসন সংখ্যা ৩৫। লালু যাদবের দলের আসন সংখ্যার সঙ্গে এই সংখ্যা যোগ করলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে আট কম। অন্যদিকে বিহার বিধানসভায় ৭৮ টি আসন নিয়ে দ্বিতীয় বৃহত্তম বিজেপি। তাদের সঙ্গে নীতীশ কুমারের দলের বিধায়ক সংখ্যা যুক্ত করলে নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতার একেবারে কাছে। এর সঙ্গে হিন্দুস্তানি আওয়ামি মোর্চার চার বিধায়ক এবং একজন নির্দল বিধায়কের সমর্থন নিয়ে এনডিএ জোটের বিধায়ক সংখ্যা ১২৮-এর আশপাশে। ফলে এনডিএ জোট সহজেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জায়গায় রয়েছে।
সূত্রের খবর, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব দলের নেতাদের বলেছিলেন, বিহারে এখনও খেলা শুরু হয়নি। পাশাপাশি তিনি দাবি করেছিলেন, গত দুই দশকে যা অসম্পূর্ণ ছিল অল্প সময়ের মধ্যে তারা তা সম্পূর্ণ করতে পেরেছেন, তা সে চাকরি হোক, জাতসুমারি হোক কিংবা সংরক্ষণ বৃদ্ধি। যাই হোক না কেন আরজেডির তরফে বলা হয়েছিল নীতীশ কুমারের মোকাবিলায় তাদেরও গেম প্ল্যান তৈরি। সেখানকার রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এবারকার মতো আরজেডির গেম প্ল্যান ভেস্তে গিয়েছে।
লালু প্রসাদ যাদব নিজের ছেলে তেজস্বী যাদবকে মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। নীতীশ কুমারের দলের কয়েকজন বিধায়ককে নিয়ে তিনি চেষ্টাও করেছিলেন। যদিও নীতীশ কুমারও সেদিকে সতর্ক ছিলেন। যে কারণে এবারকার মতো লালু যাদবের চেষ্টা সফল হচ্ছে না। এমনটাই বলছেন সেখানকার রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।












Click it and Unblock the Notifications