নির্ভয়া গণধর্ষণকাণ্ডের দোষীদের ফাঁসি ১ ফেব্রুয়ারি নাও হতে পারে! কোন কারণে এমন জল্পনা উঠছে
রাজধানীর রাস্তায় এক নারকীয় গণধর্ষণ। তারপর নিগৃহীতার মৃত্যু। এরপর তাঁর অভিভাবকদের টানা ৭ বছরের লড়াই। সেই লড়াইয়ে যতটা আইনি পন্থা আর ধারা নিয়ে সমস্ত দিক বুঝে নেওয়ার পালা ছিল, তেমনই ছিল এক অসামান্য মানসিক লড়াই। আর সেই লড়াই কাটিয়ে শেষমেশ যাবতীয় প্রশাসনিক ও আইনি অধ্যায় কাটিয়ে ঠিক হয়েছিল আগামী ১ ফেব্রুয়ারি হবে নির্ভয়াকাণ্ডের ধর্ষকদের ফাঁসি। তবে এবার শোনা যাচ্ছে যে,সেই ফাঁসির দিন আরও পিছিয়ে যেতে পারে।

কোন কোন নিয়ম উঠে আসছে এই দেরি হওয়ার নেপথ্যে?
মনে করা হচ্ছে, যদি দোষীদের মধ্যে বিনয় প্রাণ ভিক্ষার আর্জি জানায় ৩১ জানুয়ারি। এবং তা তৎক্ষণাৎও খারিজ হয়ে যায়, তাহলে তাকে ১৪ দিনের সময়সীমা দিতে হবে ফাঁসির আগে। কারণ আইন অনুযায়ী, যদি একজন দোষী কে ফাঁসির সাজা দিতে হয়, তাহলে তা আদালতের নির্দেশের পর , রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন খারিজের পর ১৪ দিন সময় পার করেই কার্যকরী করতে হবে। আর সেই মর্মে এই সাজার কার্যকারিতা পিছিয়ে যেতে পারে।

কোন আশঙ্কার মেঘ?
এখনও পর্যন্ত নির্ভয়া ধর্ষণকাণ্ডে অক্ষয় পবনের কাছে কিউরেটিভ আবেদন ও প্রাণভিক্ষার আবেদনের সুযোগ রয়েছে। এদিকে, অক্ষয় নিজের পক্ষে কিউরেটিভ আবেদন রেখেছে সুপ্রিমকোর্টের কাছে। যার শুনানি আজ। তার পিটিশনে অক্ষয় বলেছে, তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হচ্ছে জনতার চাপে পড়ে। সেই মর্মে আদালত কোন রায় দেয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে সকলকে।

পবনের সামনে রয়েছে একটি বড় সুযোগ!
এদিকে, নির্ভয়া কাণ্ডে দোষী পবনের সামনে রয়েছে আরও একটি সুযোগ। সে এখনও কিউরেটিভ আবেদন রাখেনি মত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে। ফলেতাঁর তরফের আবেদনও এখনও বাকি। সেক্ষেত্রে আরও একবার নির্ভয়াকাণ্ডে দোষীদের শাস্তি পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications