কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে ১১ দফা দাবিতে ১১ দিনের প্রতিবাদ কর্মসূচি, আজ থেকে পথে ১৯ টি দল
দেশব্যাপী কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ১১ দিনের বিক্ষোভ ( protest) শুরু হচ্ছে এদিন। ২০২৪-এর নির্বাচনের দিকে খেয়াল রেখে অগাস্টে হওয়া এক ভার্চুয়াল বৈঠকে এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বিরোধী দলগুলির (opposition parties
দেশব্যাপী কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ১১ দিনের বিক্ষোভ ( protest) শুরু হচ্ছে এদিন। ২০২৪-এর নির্বাচনের দিকে খেয়াল রেখে অগাস্টে হওয়া এক ভার্চুয়াল বৈঠকে এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বিরোধী দলগুলির (opposition parties) তরফে। কেন্দ্রের বিজেপি (bjp) নেতৃত্বাধীন সরকারের সামনে ১১ দফা দাবিও রেখেছে আন্দোলনে নামা ১৯ টি রাজনৈতিক (political parties) দল।

করোনা বিধি মেনেই প্রতিবাদ
২০ অগাস্ট হওয়া বৈঠকে বিক্ষোভ, প্রতিবাদে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলির তরফে বলা হয়েছে, বিভিন্ন রাজ্যে তাদের রাজ্য ইউনিটগুলি সেখানকার করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেবে। ১১ দিনের বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষ হবে ৩০ সেপ্টেম্বর।

বিজেপিকে হারানোর শপথ
অগাস্টে হওয়া ১৯ টি রাজনৈতিক দলের ভার্চুয়াল বৈঠকে ২০২৪-এর নির্বাচনে বিজেপিকে হারাতে একসঙ্গে আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বিরোধী দলগুলির তরফে কেন্দ্রীয় সরকারের সামনে ১১ দফা দাবিও রাখা হয়েছিল। সেই বৈঠকের পৌরহিত্য করেছিলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী।
বিরোধীদের ঘোষণা পত্রে বলা হয়েছিল, ১৯ টি দলের নেতারা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সর্বশক্তি দিয়ে আমাদের ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক, প্রজাতান্ত্রিক আদেশ পালনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। দেশ বাঁচানোর ডাক দিয়ে, ভবিষ্যতের জন্য পরিবর্তনের কথাও বলা হয়েছিল।

বিরোধীদের ১১ দফা দাবি
১) দেশে করোনার তৃতীয় তরঙ্গ আটকাতে টিকাকরণ জোরদার করার ডাকও দেওয়া হয়।
২) আয়কর না দেওয়া প্রতিটি পরিবারকে মাসে সাড়ে সাতহাজার টাকা করে দেওয়ার দাবি।
৩) পেট্রোপণ্যের ওপর থেকে বর্ধিত শুল্ক এবং অতিরিক্ত কর প্রত্যাহার।
৪) তিনটি নতুন কৃষি আইন বাতিল করা ও কৃষকদের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিশ্চিত করার দাবি।
৫) লেবার কোড বাতিল করে শ্রমিকদের অধিকার ফেরানোর দাবি।
৬) ক্ষুদ্র শিল্পকে চাঙ্গা করতে আর্থিক প্যাকেজ এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির দাবি।
৭) মনরেগার কাজেকর সময়সীমা বাড়িয়ে ২০০ দিন করা এবং শহরাঞ্জলে এই ধরনের প্রকল্পের সূচনার দাবি।
৮) শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, পড়ুয়াদের অগ্রাধিকারেরর ভিত্তিতে টিকাকরণ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবি।
৯) পেগাসার বিতর্কে সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে তদন্ত
১০) জম্মু ও কাশ্মীরে দ্রুত নির্বাচন, সেখানে সমস্ত রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি
১১) ভীমা কোরেগাঁও মামলা এবং সিএএ বিরোধী আন্দোলনে যাঁদের জেলবন্দি করা হয়েছে, তাঁদের মুক্তির দাবি।

বিরোধী নিশানায় কেন্দ্র
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলনে বাধা দেওয়ার অভিযোগও তুলেছিলেন বিরোধী নেতারা। বিরোধীদের তরফে অভিযোগ করে বলা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী মোদী ১৫ অগাস্ট যেভাষণ দিয়েছেন, তা ফাঁকা আওয়াজ এবং বিভ্রান্তিকর ছাড়া আর কিছুই নয়। ২০১৯ এবং ২০২০ সালে প্রধানমন্ত্রী যে ভাষণ দিয়েছিলেন, তারই রিপ্যাকেজিং বলে অভিযোগ করেছিলেন বিরোধীরা।
ওই বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, কে নেতা ভুলে যান। ব্যক্তি স্বার্থকে একপাশে রাখার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন মানুষই নেতৃত্ব দেবে।
(ছবি সৌজন্য: টুইটার)












Click it and Unblock the Notifications