কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মদত দিয়েছে পাক হাইকমিশন,প্রমাণ দিল এনআইএ
কাশ্মীর সিদ্ধান্তের পর ভারতে অস্থিরতা তৈরি করতে যেন মরিয়া হয়ে উঠেছে পাকিস্তান। জঙ্গি মদত থেকে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্ররোচন দেওয়া কোনও কিছুতেই কসুর করেনি তারা
কাশ্মীর সিদ্ধান্তের পর ভারতে অস্থিরতা তৈরি করতে যেন মরিয়া হয়ে উঠেছে পাকিস্তান। জঙ্গি মদত থেকে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্ররোচন দেওয়া কোনও কিছুতেই কসুর করেনি তারা। পাকিস্তানের এই চক্রান্তের প্রমাণ মিলেছে। তাতে সিলমোহর দিল এনআইএ। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে কাশ্মীরকে অশান্ত করতে সবরকম চেষ্টা চালিয়েছে পাকিস্তান। তাতে পাক হাইকমশনেরও হাত ছিল। কাশ্মীরকে অশান্তি ছড়াতে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মদত দিয়েছে ভারতের পাক হাই কমিশন। সংস্থার হাতে তার প্রমাণও এসেছে।
উপত্যকার বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নানা ভাবে মদত দিয়েছে তারা। অর্থ সরবহারাহ করা থেকে শুরু করে কীভাবে অশান্তি ছড়াবেন তাঁরা তারও মদত দিয়েছে পাক হাইকমিশন। শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করে সেই ঘটনার সত্যতার কথা জানিয়েছে এনআইএ।

সংস্থা দাবি করেছে পাঁচ অভিযুক্তকে তাঁরা গ্রেফতার করেছে যারা উপত্যকায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং সরকার বিরোধী কার্যকলাপে প্ররোচনা দিয়েছে। উপত্যকায় একাধিক বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা, হুরিয়ত নেতা, জঙ্গি এবং পাথর ছোড়ায় আন্দোলকারীদের অশান্তি ছড়ানোর জন্য প্ররোচনা দিয়েছে পাক হাই কমিশন। পুরোটাই পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তাঁরা। এই ঘটনায় জড়িত থাকা পাঁচ জনের নামও প্রকাশ করেছে এনআইএ। তারা হলেন শাবির আহমেদ শাহ, মসরত আলম, সইদা আশিয়া অরনবি এবং আবদুল রশিদ শেখ। এঁরা সকলেই একাধিক বিচ্ছিন্নতাবাদী দলের প্রধান।
এই শাবির শাহ এবং ইয়াসিন মালিকের কাছ থেকে একাধির ইমেল পাওয়া গিয়েছে, যেখানে পাকিস্তাব সহ একাধিক মুসলিম দেশ থেকে অর্থ সংগ্রহের প্রমাণ মিলেছে। কাশ্মীরে অশান্তি ছড়ানোর জন্য ইয়াসিন মালিককে হাওলার মাধ্যমে টাকা সরবরাহ করা হত বলে দাবি এনআইএ-র।












Click it and Unblock the Notifications